শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাছ ধরা উৎসব

#
news image

জেলার সখীপুরে মাছ ধরা উৎসব পালন করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সৌখিন মৎস্য শিকারীদের উদ্যোগে দিনব্যাপী জাল দিয়ে মাছ ধরার এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।   

উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের নামদারপুর ফাজিল মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি পুকুরে স্থানীয় সৌখিন মৎস্য শিকারী সমবায় সমিতির সদস্যরা জালপ্রতি দেড় হাজার টাকা করে টিকেট কিনে এই উৎসব পালন করেন। শতাধিক মৎস্য শিকারী ওই পুকুরে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাছ ধরেন।

মাছ ধরার এই ব্যতিক্রমী উৎসব দেখতে বিভিন্ন গ্রামের শতশত নারী-পুরুষ সেখানে ভীড় করেন। এতে উৎসবের জনপদে পরিণত হয় এলাকাটি। লোকজন উৎসবের আমেজে মাছ শিকার দেখেন। জালেও ধরা পড়ে নানান প্রজাতির মাছ। পানিতে জাল টেনে হৈ-হুল্লোড় আর উল্লাস করে মাছ ধরেন শিকারীরা। এ সময় চিরচেনা গ্রামবাংলার অপরূপ এক সৌন্দর্যময় দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

সখীপুর উপজেলা সৌখিন মৎস্য শিকারী সমবায় সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের সমিতিতে সদস্য রয়েছে ১০ হাজার। তারা প্রত্যেকেই সৌখিন মৎস্য শিকারী। খালে, বিলে, নদী-নালায় আমরা টিকেট কিনে মাছ শিকার করে থাকি। এটি আমাদের পেশা নয়, নেশা। আমরা মাছ ধরে বিক্রি করি না।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ হারিয়ে যেতে বসেছে। কারণ হিসেবে চায়না জালকে দায়ী করেন তিনি। সংগঠনের উদ্যোগে চায়না জাল বন্ধের আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

জেলা প্রতিবেদক

২১ ডিসেম্বর, ২০২৩,  3:41 PM

news image

জেলার সখীপুরে মাছ ধরা উৎসব পালন করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সৌখিন মৎস্য শিকারীদের উদ্যোগে দিনব্যাপী জাল দিয়ে মাছ ধরার এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।   

উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের নামদারপুর ফাজিল মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি পুকুরে স্থানীয় সৌখিন মৎস্য শিকারী সমবায় সমিতির সদস্যরা জালপ্রতি দেড় হাজার টাকা করে টিকেট কিনে এই উৎসব পালন করেন। শতাধিক মৎস্য শিকারী ওই পুকুরে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাছ ধরেন।

মাছ ধরার এই ব্যতিক্রমী উৎসব দেখতে বিভিন্ন গ্রামের শতশত নারী-পুরুষ সেখানে ভীড় করেন। এতে উৎসবের জনপদে পরিণত হয় এলাকাটি। লোকজন উৎসবের আমেজে মাছ শিকার দেখেন। জালেও ধরা পড়ে নানান প্রজাতির মাছ। পানিতে জাল টেনে হৈ-হুল্লোড় আর উল্লাস করে মাছ ধরেন শিকারীরা। এ সময় চিরচেনা গ্রামবাংলার অপরূপ এক সৌন্দর্যময় দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

সখীপুর উপজেলা সৌখিন মৎস্য শিকারী সমবায় সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের সমিতিতে সদস্য রয়েছে ১০ হাজার। তারা প্রত্যেকেই সৌখিন মৎস্য শিকারী। খালে, বিলে, নদী-নালায় আমরা টিকেট কিনে মাছ শিকার করে থাকি। এটি আমাদের পেশা নয়, নেশা। আমরা মাছ ধরে বিক্রি করি না।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ হারিয়ে যেতে বসেছে। কারণ হিসেবে চায়না জালকে দায়ী করেন তিনি। সংগঠনের উদ্যোগে চায়না জাল বন্ধের আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।