শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

ডলার সংকটে বাংলাদেশ, রিজার্ভ কমে ১৯.৬ বিলিয়ন

#
news image

চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশ ডলারের ঘাটতি মোকাবিলা করছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে এবার এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ১১৮ কোটি ডলার। একই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ কমেছে ১২৫ কোটি ডলার।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদে বলা হয়, গত ৮ নভেম্বর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন। গত বুধবার সেই রিজার্ভ নেমে এসেছে ১৯ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী ৮ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। আর ১৫ নভেম্বর এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার।

ইনভেস্টিংয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আমদানি মূল্যের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় চাপের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের রিজার্ভ। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলেছে। খাবার ও জ্বালানির দাম অনেক বেড়েছে।

তবে এমন পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি নিয়ন্ত্রণ, রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি ও আমদানির ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রি ঘাটতি রোধে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান ১১০-এ পৌঁছেছে।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

১৭ নভেম্বর, ২০২৩,  10:11 PM

news image

চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশ ডলারের ঘাটতি মোকাবিলা করছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে এবার এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ১১৮ কোটি ডলার। একই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ কমেছে ১২৫ কোটি ডলার।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদে বলা হয়, গত ৮ নভেম্বর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতির ভিত্তিতে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন। গত বুধবার সেই রিজার্ভ নেমে এসেছে ১৯ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী ৮ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। আর ১৫ নভেম্বর এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার।

ইনভেস্টিংয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আমদানি মূল্যের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় চাপের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের রিজার্ভ। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলেছে। খাবার ও জ্বালানির দাম অনেক বেড়েছে।

তবে এমন পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি নিয়ন্ত্রণ, রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি ও আমদানির ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রি ঘাটতি রোধে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান ১১০-এ পৌঁছেছে।