শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

বাজেটের রূপরেখা নিয়ে ব্যস্ত অর্থ মন্ত্রণালয়

#
news image

আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন নিয়ে এখন পুরোদমে ব্যস্ত অর্থ মন্ত্রণালয়। একদিকে রাজস্ব আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজস্ব ব্যয়সহ ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে অর্থবিভাগ। অন্যদিকে কোথায় থেকে কী পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে তা নিয়ে গত রোববার অর্থমন্ত্রী রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সভার মাধ্যমে একটি খসড়া তৈরি করেছেন। আগামী অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০ কোটি টাকার বাজেটের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বাজেট বিষয়ে সিরিজ সভা হবে। এ সভার মাধ্যমে আগামী বাজেটের রূপরেখা চূড়ান্ত হবে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে, আগামী ৬ জুন যে বাজেট উপস্থাপন করা হবে তাতে ব্যক্তিশ্রেণির আয়করের সীমা বৃদ্ধি না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যারা বিত্তশালী, তাদের ওপর করের বোঝা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেতে পারে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে একটি কর স্তর রাখা হতে পারে। আর কর স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দিতে হবে। আয়কর কর্মকর্তাদের ক্ষমতা অনেকটা খর্ব করা হতে পারে। আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আয় ধরা হতে পারে ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয় ধরা হচ্ছে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। বাকি রাজস্ব আহরণ হবে কর ছাড়া রাজস্ব প্রাপ্তিতে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আগামী বাজেটে আইএমএফের বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে যাচ্ছে, যা রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনে করছে সরকার। প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আনার সুবিধা ভোগ করেন। আগামী বাজেটে তা হয়তো আর থাকছে না। আগামী বাজেটে প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে একটি নির্ধারিত পরিমাণ শুল্ক দিয়ে গাড়ি আনতে হবে।

আগামী বাজেটে উৎপাদনশীল খাতের সঙ্গে পুঁজিবাজারবহির্ভূত শিল্পের কর কমতে পারে। অর্থাৎ বিদ্যমান কর ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ হতে পারে। কমতে পারে করপোরেট করের হার। আমদানি ও সরবরাহ খাতে বেশ কিছু পণ্যের সম্পূরক শুল্ক কমতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর অবকাশ আর থাকছে না। বর্তমানে ২৭টি খাতে কর অবকাশ রয়েছে। এই অবকাশের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্তের আলোকে আগামী বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

এদিকে অর্থবিভাগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, আগামী বাজেটে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত রাখা হতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকা সবার কমবেশি ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনা হতে পারে। তবে তা আইএমএফের সুপারিশ কি না সে ব্যাপারে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সূত্রটি।

নাগরিক প্রতিবেদন

১৪ মে, ২০২৪,  3:38 PM

news image

আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন নিয়ে এখন পুরোদমে ব্যস্ত অর্থ মন্ত্রণালয়। একদিকে রাজস্ব আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজস্ব ব্যয়সহ ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে অর্থবিভাগ। অন্যদিকে কোথায় থেকে কী পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে তা নিয়ে গত রোববার অর্থমন্ত্রী রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সভার মাধ্যমে একটি খসড়া তৈরি করেছেন। আগামী অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০ কোটি টাকার বাজেটের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বাজেট বিষয়ে সিরিজ সভা হবে। এ সভার মাধ্যমে আগামী বাজেটের রূপরেখা চূড়ান্ত হবে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে, আগামী ৬ জুন যে বাজেট উপস্থাপন করা হবে তাতে ব্যক্তিশ্রেণির আয়করের সীমা বৃদ্ধি না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যারা বিত্তশালী, তাদের ওপর করের বোঝা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেতে পারে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে একটি কর স্তর রাখা হতে পারে। আর কর স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দিতে হবে। আয়কর কর্মকর্তাদের ক্ষমতা অনেকটা খর্ব করা হতে পারে। আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আয় ধরা হতে পারে ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয় ধরা হচ্ছে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। বাকি রাজস্ব আহরণ হবে কর ছাড়া রাজস্ব প্রাপ্তিতে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আগামী বাজেটে আইএমএফের বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে যাচ্ছে, যা রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনে করছে সরকার। প্রতি বছর সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আনার সুবিধা ভোগ করেন। আগামী বাজেটে তা হয়তো আর থাকছে না। আগামী বাজেটে প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে একটি নির্ধারিত পরিমাণ শুল্ক দিয়ে গাড়ি আনতে হবে।

আগামী বাজেটে উৎপাদনশীল খাতের সঙ্গে পুঁজিবাজারবহির্ভূত শিল্পের কর কমতে পারে। অর্থাৎ বিদ্যমান কর ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ হতে পারে। কমতে পারে করপোরেট করের হার। আমদানি ও সরবরাহ খাতে বেশ কিছু পণ্যের সম্পূরক শুল্ক কমতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর অবকাশ আর থাকছে না। বর্তমানে ২৭টি খাতে কর অবকাশ রয়েছে। এই অবকাশের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। সেই শর্তের আলোকে আগামী বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

এদিকে অর্থবিভাগের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, আগামী বাজেটে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত রাখা হতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকা সবার কমবেশি ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনা হতে পারে। তবে তা আইএমএফের সুপারিশ কি না সে ব্যাপারে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সূত্রটি।