শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫ সুপারিশ

#
news image

দেশে আবারও করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে পাঁচটি সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৯তম সভা জুমের মাধ্যমে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পাঁচটি সুপারিশ গৃহীত হয়।

১. সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা। হাত ধোয়া বা সেনিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করা।

২. যারা করোনা টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেননি, তাদের টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

৩. বন্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভা যথা সম্ভব ভার্চ্যুয়ালি করা।

৪. অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরিধান করা।

৫. বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করা।

অনলাইন ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  11:34 PM

news image

দেশে আবারও করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে পাঁচটি সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৯তম সভা জুমের মাধ্যমে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পাঁচটি সুপারিশ গৃহীত হয়।

১. সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা। হাত ধোয়া বা সেনিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করা।

২. যারা করোনা টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেননি, তাদের টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

৩. বন্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভা যথা সম্ভব ভার্চ্যুয়ালি করা।

৪. অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরিধান করা।

৫. বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করা।