ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায়
নাগরিক সংবাদ অনলাইন
১৩ মার্চ, ২০২৬, 10:57 PM
ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায়
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। পাতলা ফোন বডি, উজ্জ্বল ডিসপ্লে, দ্রুতগতির প্রসেসর, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান সফটওয়্যার এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ-সব মিলিয়ে ব্যাটারির ওপর চাপ বাড়ায়। যদিও এখন নির্মাতারা আগের তুলনায় শক্তিশালী ব্যাটারি দিচ্ছেন, তারপরও অনেকের ফোনে চার্জ টিকছে না। কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি লাইফ আরও বাড়ানো সম্ভব। মেনু সেটিংস ফোনভেদে কিছুটা আলাদা হতে পারে। এখানে গুগল পিক্সেল ৬এ (অ্যান্ড্রয়েড ১৫) এবং গ্যালাক্সি জেড ফ্লিপ ৪ (অ্যান্ড্রয়েড ১৪) ব্যবহার করে এই টিপসগুলো দেওয়া হয়েছে। তবে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই একই ধরনের অপশন থাকে।
ওয়ার সেভিং মোড চালু করুন
যদি মনে হয় ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে হবে, তাহলে ‘পাওয়ার সেভিং মোড’ চালু করুন।
স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমান
ফোনের ডিসপ্লে ব্যাটারির সবচেয়ে বড় খরচকারী উপাদান। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি রাখলে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়।
লক স্ক্রিন নিয়ন্ত্রণ করুন
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘অলওয়েজ অন ডিসপ্লে’ ফিচারটি তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোতে এটি অনেক আগ থেকেই রয়েছে। এই ফিচারের মাধ্যমে স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও সময়, তারিখসহ কিছু মৌলিক তথ্য দেখা যায়। যদিও এটি খুব অল্প শক্তি ব্যবহার করে, তবুও ব্যাটারি আরও সাশ্রয়ের জন্য আপনি কিছু সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করতে পারেন।
স্ক্রিন টাইমআউট সময় নির্ধারণ করুন
ফোনের স্ক্রিন যত বেশি সময় অন থাকবে, তত দ্রুত ব্যাটারি শেষ হবে। তাই স্ক্রিন টাইমআউট সময় কমিয়ে দিন। সেটিংস > ডিসপ্লে> স্ক্রীন টাইমআউট থেকে সময় নির্ধারণ করতে পারেন-১৫ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ আপডেট বন্ধ করুন
অ্যাপগুলো আপনি ব্যবহার না করলেও অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। এর ফলে ধীরে ধীরে ডেটা ও ব্যাটারি দুই-ই নষ্ট হয়। তাই নিয়মিতভাবে দেখে নেওয়া উচিত কোন অ্যাপগুলো আপনার ব্যাটারি সবচেয়ে বেশি খরচ করছে। স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোনে যেতে পারেন ব্যাটারি >ভিউ ডিটেইলস, আর গুগল পিক্সেল ফোনে যেতে পারেন ব্যাটারি> ব্যাটারি ইউজেস এ। এরপর দেখে নিন কোন অ্যাপগুলো অতিরিক্ত ব্যাটারি ব্যবহার করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর কার্যক্রম সীমিত করে দিন।
নাগরিক সংবাদ অনলাইন
১৩ মার্চ, ২০২৬, 10:57 PM
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। পাতলা ফোন বডি, উজ্জ্বল ডিসপ্লে, দ্রুতগতির প্রসেসর, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান সফটওয়্যার এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ-সব মিলিয়ে ব্যাটারির ওপর চাপ বাড়ায়। যদিও এখন নির্মাতারা আগের তুলনায় শক্তিশালী ব্যাটারি দিচ্ছেন, তারপরও অনেকের ফোনে চার্জ টিকছে না। কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি লাইফ আরও বাড়ানো সম্ভব। মেনু সেটিংস ফোনভেদে কিছুটা আলাদা হতে পারে। এখানে গুগল পিক্সেল ৬এ (অ্যান্ড্রয়েড ১৫) এবং গ্যালাক্সি জেড ফ্লিপ ৪ (অ্যান্ড্রয়েড ১৪) ব্যবহার করে এই টিপসগুলো দেওয়া হয়েছে। তবে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই একই ধরনের অপশন থাকে।
ওয়ার সেভিং মোড চালু করুন
যদি মনে হয় ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে হবে, তাহলে ‘পাওয়ার সেভিং মোড’ চালু করুন।
স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমান
ফোনের ডিসপ্লে ব্যাটারির সবচেয়ে বড় খরচকারী উপাদান। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি রাখলে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়।
লক স্ক্রিন নিয়ন্ত্রণ করুন
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘অলওয়েজ অন ডিসপ্লে’ ফিচারটি তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোতে এটি অনেক আগ থেকেই রয়েছে। এই ফিচারের মাধ্যমে স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও সময়, তারিখসহ কিছু মৌলিক তথ্য দেখা যায়। যদিও এটি খুব অল্প শক্তি ব্যবহার করে, তবুও ব্যাটারি আরও সাশ্রয়ের জন্য আপনি কিছু সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করতে পারেন।
স্ক্রিন টাইমআউট সময় নির্ধারণ করুন
ফোনের স্ক্রিন যত বেশি সময় অন থাকবে, তত দ্রুত ব্যাটারি শেষ হবে। তাই স্ক্রিন টাইমআউট সময় কমিয়ে দিন। সেটিংস > ডিসপ্লে> স্ক্রীন টাইমআউট থেকে সময় নির্ধারণ করতে পারেন-১৫ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিট পর্যন্ত।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ আপডেট বন্ধ করুন
অ্যাপগুলো আপনি ব্যবহার না করলেও অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। এর ফলে ধীরে ধীরে ডেটা ও ব্যাটারি দুই-ই নষ্ট হয়। তাই নিয়মিতভাবে দেখে নেওয়া উচিত কোন অ্যাপগুলো আপনার ব্যাটারি সবচেয়ে বেশি খরচ করছে। স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোনে যেতে পারেন ব্যাটারি >ভিউ ডিটেইলস, আর গুগল পিক্সেল ফোনে যেতে পারেন ব্যাটারি> ব্যাটারি ইউজেস এ। এরপর দেখে নিন কোন অ্যাপগুলো অতিরিক্ত ব্যাটারি ব্যবহার করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর কার্যক্রম সীমিত করে দিন।