শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

পাহাড় কাটা বন্ধে, মূল হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক

#
news image

পাহাড় কেটে বনজঙ্গল উজাড় করার ফলে পরিবেশের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তার পরেও চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা হচ্ছে রীতিমতো আয়োজন করে।  এক মাস ধরে পাম্পের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে নরম করে তারপর কাটা হচ্ছে পাহাড়।

৭০ ফুট পর্যন্ত কাটা হয়ে গেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন পাহাড়ের মাঝখানে গর্ত করা হয়েছে এবং পাম্প দিয়ে পানি তুলে রাখা হয়েছে। পানির হাউসও আছে। এতে করে বুঝা যায়, চট্টগ্রাম ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা নৈমিত্তিক ব্যাপার। এই বিপর্যয়ের জন্য নির্বিচার পাহাড় কাটা অনেকাংশে দায়ী। এ নিয়ে নগর-পরিকল্পনাবিদেরা বহুবার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন। তাঁরা দেখিয়ে দিয়েছেন সারা বিশ্বে পরিবেশকে সুরক্ষা দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থা কেউ এসবে গা করে না।

অবৈধভাবে পাহাড় কাটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেবল পাহাড়ের মাটিই কাটা হয় না, গাছও কাটা হচ্ছে নির্বিচারে। অনেক স্থানেই পাহাড়ি বনভূমি ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার জীব-বৈচিত্র্য। এর অস্তিত্ব বিপন্ন হলে প্রকৃতি-পরিবেশ বিপন্ন হবে। যার মন্দ পরিণতি বরণ করতে হবে মানুষকেও। দেশের পাহাড়গুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। অবিবেচক মানুষের আগ্রাসী ভূমিকার কারণে এগুলোর অস্তিত্ব বিলীন হতে চলছে। তাই অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং সেখানে অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে।

পাহাড় কাঁটার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা না গেলে পাহাড়গুলোর অস্তিত্ব রক্ষা করা কঠিন হবে। পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে পাহাড় কাটা যাবে না। পাহাড় কাটা ও অবৈধভাবে পাহাড়ি মাটি বিক্রির যে অভিযোগ পাওয়া গেছে তা আমলে নিতে হবে। এর নেপথ্যে কারা রয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। মূল হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

কেবল পাহাড় কাটা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই চলবে না। তবে অভিযোগ আছে যে, অভিযানে প্রায়ই শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। তাই হয়রানি না করে এর পিছনের আসল চক্রটিকে ধরতে হবে এবং কেউ যেন পাহাড় কাটতে না পারে সেজন্য নিয়মিত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা  থাকাটা অতি জরুরি।

নাগরিক ডেস্ক

১১ নভেম্বর, ২০২৩,  10:23 PM

news image

পাহাড় কেটে বনজঙ্গল উজাড় করার ফলে পরিবেশের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তার পরেও চট্টগ্রামে পাহাড় কাটা হচ্ছে রীতিমতো আয়োজন করে।  এক মাস ধরে পাম্পের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে নরম করে তারপর কাটা হচ্ছে পাহাড়।

৭০ ফুট পর্যন্ত কাটা হয়ে গেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন পাহাড়ের মাঝখানে গর্ত করা হয়েছে এবং পাম্প দিয়ে পানি তুলে রাখা হয়েছে। পানির হাউসও আছে। এতে করে বুঝা যায়, চট্টগ্রাম ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা নৈমিত্তিক ব্যাপার। এই বিপর্যয়ের জন্য নির্বিচার পাহাড় কাটা অনেকাংশে দায়ী। এ নিয়ে নগর-পরিকল্পনাবিদেরা বহুবার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন। তাঁরা দেখিয়ে দিয়েছেন সারা বিশ্বে পরিবেশকে সুরক্ষা দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থা কেউ এসবে গা করে না।

অবৈধভাবে পাহাড় কাটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেবল পাহাড়ের মাটিই কাটা হয় না, গাছও কাটা হচ্ছে নির্বিচারে। অনেক স্থানেই পাহাড়ি বনভূমি ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার জীব-বৈচিত্র্য। এর অস্তিত্ব বিপন্ন হলে প্রকৃতি-পরিবেশ বিপন্ন হবে। যার মন্দ পরিণতি বরণ করতে হবে মানুষকেও। দেশের পাহাড়গুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। অবিবেচক মানুষের আগ্রাসী ভূমিকার কারণে এগুলোর অস্তিত্ব বিলীন হতে চলছে। তাই অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং সেখানে অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করতে হবে।

পাহাড় কাঁটার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা না গেলে পাহাড়গুলোর অস্তিত্ব রক্ষা করা কঠিন হবে। পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে পাহাড় কাটা যাবে না। পাহাড় কাটা ও অবৈধভাবে পাহাড়ি মাটি বিক্রির যে অভিযোগ পাওয়া গেছে তা আমলে নিতে হবে। এর নেপথ্যে কারা রয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। মূল হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

কেবল পাহাড় কাটা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই চলবে না। তবে অভিযোগ আছে যে, অভিযানে প্রায়ই শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। তাই হয়রানি না করে এর পিছনের আসল চক্রটিকে ধরতে হবে এবং কেউ যেন পাহাড় কাটতে না পারে সেজন্য নিয়মিত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা  থাকাটা অতি জরুরি।