১৪ মাস পর ভোট পূর্ণগণনায় বিজয়ী হলেন পরাজিত প্রার্থী 

#
news image

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ১৪ মাস পর নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে ভোট গণনায় বিজয়ী হয়েছেন উল্লাপাড়া উপজেলার ০১ নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।

বুধবার (১৭ মে) বিকালে সিরাজগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইবুনাল সদর আদালতের বিচারক সুলতান উদ্দিন প্রধান উপস্থিত থেকে পুনরায় ভোট গণনা করলে এই ফলাফল পাওয়া যায়।

ভোট গণনায় মোজাম্মেল হোসেন ফুটবল প্রতীকে  ২০৭ ভোটে বিজয়ী হন। গণনায় দেখা যায় ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মোট ৬৫০ ভোট পেয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম মন্ডল  ফ্যান প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪৩ ভোট।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মোহাম্মদ। 

ভোট গণনায় নতুন করে বিজয়ী প্রার্থী মুজাম্মেল হোসেন জানান, ‘নির্বাচনে ভোট গণনার সময় নজরুল ইসলাম মন্ডল তার লোকদের দিয়ে আমাকেসহ আমার সমর্থনকারী মোঃ শাজাহান শেখ, হাবিজুর, মঞ্জুয়ারা খাতুন সহ ২৫ জনকে মারধর করে আহত করে। এসময় ভোট গণনায় বাধা দিয়ে তিনি তার জয় নিশ্চিত করেন। অথচ সঠিকভাবে ভোট গণনা হলে তখনই আমি বিজয়ী হতাম।

২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর উল্লাপাড়া উপজেলার ১নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া ভোট গণনায় ফুটবল প্রতীকে মোজাম্মেল হেসেন ৫৬৫ ভোট পান। তার বিপরীতে ফ্যান প্রতীকে নজরুল ইসলাম মন্ডলকে ৫৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

পরে ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ফুটবল প্রতীকের মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে পুনরায় ভোট গণনার জন্য মামলা করেন। পরে দীর্ঘ ১৫ মাস পর দুই প্রার্থীর উপস্থিতে সিরাজগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল সদর কোর্টের বিচারক সুলতান উদ্দিন প্রধান পুনরায় ভোট গণনা করেন। এতে ফুটবল প্রতীকের মোজাম্মেল  হোসেন মোট ৬৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস পরে আজ আমি আইনের বিচার পেলাম। ভোট  গণনায় ২০৭ ভোটে আমি বিজয়ী হয়েছি।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মোহাম্মদ   বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস আইনি লড়াই শেষে আজ আদালত দুই প্রার্থী, পিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও দুইপক্ষের আইনজীবীর সামনে ভোট গণনা করে দেখেন মোজাম্মেল হোসন ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আদালত সবার সামনে ভোট গণনা শেষ করলেও রায় দেননি। হয়তো দু-এক দিনের মধ্যেই রায় ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, এতে করে মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে। পরবর্তীতে এই রায়ের কপি সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে।’

এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া নির্বাচন কর্মকর্তা  বলেন,আদালতে আমার উপস্থিতিতেই ভোট গণনা হয়েছে মোজাম্মেল সাহেব ২০৭ ভোটে ডিগ্রী পেয়েছেন। তবে পরবর্তীতে কোর্টের রায় পেলে বিস্তারিত আপনাদের সাথে বলতে পারব।

মোঃ সৌরভ হোসাইন (সবুজ), সিরাজগঞ্জ

১৮ মে, ২০২৩,  10:05 PM

news image

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ১৪ মাস পর নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে ভোট গণনায় বিজয়ী হয়েছেন উল্লাপাড়া উপজেলার ০১ নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।

বুধবার (১৭ মে) বিকালে সিরাজগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইবুনাল সদর আদালতের বিচারক সুলতান উদ্দিন প্রধান উপস্থিত থেকে পুনরায় ভোট গণনা করলে এই ফলাফল পাওয়া যায়।

ভোট গণনায় মোজাম্মেল হোসেন ফুটবল প্রতীকে  ২০৭ ভোটে বিজয়ী হন। গণনায় দেখা যায় ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মোট ৬৫০ ভোট পেয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম মন্ডল  ফ্যান প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪৩ ভোট।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মোহাম্মদ। 

ভোট গণনায় নতুন করে বিজয়ী প্রার্থী মুজাম্মেল হোসেন জানান, ‘নির্বাচনে ভোট গণনার সময় নজরুল ইসলাম মন্ডল তার লোকদের দিয়ে আমাকেসহ আমার সমর্থনকারী মোঃ শাজাহান শেখ, হাবিজুর, মঞ্জুয়ারা খাতুন সহ ২৫ জনকে মারধর করে আহত করে। এসময় ভোট গণনায় বাধা দিয়ে তিনি তার জয় নিশ্চিত করেন। অথচ সঠিকভাবে ভোট গণনা হলে তখনই আমি বিজয়ী হতাম।

২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর উল্লাপাড়া উপজেলার ১নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া ভোট গণনায় ফুটবল প্রতীকে মোজাম্মেল হেসেন ৫৬৫ ভোট পান। তার বিপরীতে ফ্যান প্রতীকে নজরুল ইসলাম মন্ডলকে ৫৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

পরে ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ফুটবল প্রতীকের মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে পুনরায় ভোট গণনার জন্য মামলা করেন। পরে দীর্ঘ ১৫ মাস পর দুই প্রার্থীর উপস্থিতে সিরাজগঞ্জ নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল সদর কোর্টের বিচারক সুলতান উদ্দিন প্রধান পুনরায় ভোট গণনা করেন। এতে ফুটবল প্রতীকের মোজাম্মেল  হোসেন মোট ৬৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস পরে আজ আমি আইনের বিচার পেলাম। ভোট  গণনায় ২০৭ ভোটে আমি বিজয়ী হয়েছি।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মোহাম্মদ   বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪ মাস আইনি লড়াই শেষে আজ আদালত দুই প্রার্থী, পিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও দুইপক্ষের আইনজীবীর সামনে ভোট গণনা করে দেখেন মোজাম্মেল হোসন ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আদালত সবার সামনে ভোট গণনা শেষ করলেও রায় দেননি। হয়তো দু-এক দিনের মধ্যেই রায় ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, এতে করে মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে। পরবর্তীতে এই রায়ের কপি সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে।’

এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া নির্বাচন কর্মকর্তা  বলেন,আদালতে আমার উপস্থিতিতেই ভোট গণনা হয়েছে মোজাম্মেল সাহেব ২০৭ ভোটে ডিগ্রী পেয়েছেন। তবে পরবর্তীতে কোর্টের রায় পেলে বিস্তারিত আপনাদের সাথে বলতে পারব।