শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

বাংলাদেশে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ে কোনো মৃত্যু নেই: প্রতিমন্ত্রী

#
news image

ঘূর্ণিঝড় মোখা’য় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রথম বাংলাদেশ কোনো ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করলো, যেখানে মৃত্যুর সংবাদ নেই। এজন্য আমরা এটাকে বিশাল সফলতা বলছি। কারণ প্রাণহানিটাই সবচেয়ে বড় লস। সবকিছুই রিকভার করা যায়, কিন্তু মানুষের জীবন আর ফিরিয়ে আনা যায় না।

গত সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে। সেন্টমার্টিনে ১২শ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সবসময় নির্দেশ দিয়েছেন একটি লোকও যেন আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে। একটি লোকও যেন মৃত্যুর ঝুঁকিতে না থাকে।

তিনি জানান, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত থাকা অবস্থায় কাউকে আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। ঘূর্ণিঝড় কেটে যাওয়ার পর এখন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে সবাই চলে গেছেন। যাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা অনেকে নিজেদের বাড়ি রিকভারি করা শুরু করেছেন। সংকেত যতক্ষণ ১০ ছিল ততক্ষণ আমরা কাউকে যেতে দেইনি। যেতে চেয়েছে কিন্তু প্রশাসন দেয়নি। পরে সংকেত কমানোয় তারা স্বেচ্ছায় চলে গেছেন।

তিনি বলেন, এবার মানুষ যাওয়া মাত্রই আমরা ড্রাই কেক আর টোস্ট বিস্কুট দিয়েছিলাম। তাদের মিনারেল ওয়াটার দেওয়া হয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত চাল রয়েছে, তা দিয়ে খিচুড়ি করে দেওয়া হয়েছে। আমি ডিসিকে বলার পর সেখানে মিনারেল ওয়াটার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমাদের মানবিক সহায়তার মান বাড়ছে। আগে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে যে পানি দেওয়া হতো তা কিন্তু ট্যাবলেট দিয়ে খাওয়ানো হতো। এখন কিন্তু বোতলে মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ করি।

নাগরিক প্রতিবেদক

১৬ মে, ২০২৩,  5:41 PM

news image

ঘূর্ণিঝড় মোখা’য় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রথম বাংলাদেশ কোনো ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করলো, যেখানে মৃত্যুর সংবাদ নেই। এজন্য আমরা এটাকে বিশাল সফলতা বলছি। কারণ প্রাণহানিটাই সবচেয়ে বড় লস। সবকিছুই রিকভার করা যায়, কিন্তু মানুষের জীবন আর ফিরিয়ে আনা যায় না।

গত সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে। সেন্টমার্টিনে ১২শ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সবসময় নির্দেশ দিয়েছেন একটি লোকও যেন আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে। একটি লোকও যেন মৃত্যুর ঝুঁকিতে না থাকে।

তিনি জানান, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত থাকা অবস্থায় কাউকে আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। ঘূর্ণিঝড় কেটে যাওয়ার পর এখন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে সবাই চলে গেছেন। যাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা অনেকে নিজেদের বাড়ি রিকভারি করা শুরু করেছেন। সংকেত যতক্ষণ ১০ ছিল ততক্ষণ আমরা কাউকে যেতে দেইনি। যেতে চেয়েছে কিন্তু প্রশাসন দেয়নি। পরে সংকেত কমানোয় তারা স্বেচ্ছায় চলে গেছেন।

তিনি বলেন, এবার মানুষ যাওয়া মাত্রই আমরা ড্রাই কেক আর টোস্ট বিস্কুট দিয়েছিলাম। তাদের মিনারেল ওয়াটার দেওয়া হয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত চাল রয়েছে, তা দিয়ে খিচুড়ি করে দেওয়া হয়েছে। আমি ডিসিকে বলার পর সেখানে মিনারেল ওয়াটার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমাদের মানবিক সহায়তার মান বাড়ছে। আগে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে যে পানি দেওয়া হতো তা কিন্তু ট্যাবলেট দিয়ে খাওয়ানো হতো। এখন কিন্তু বোতলে মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ করি।