মেলান্দহে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

#
news image

জামালপুরের মেলান্দহে এক মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ট্রাকিংয়ে তার অবস্থান শনাক্ত করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতাকৃত শিক্ষক শরিফূল (৩৮) উপজেলার ফুলকোঁচা ইউনিয়নের কোনামালঞ্চ নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও কোনামালঞ্চ জামে মসজিদের ইমাম। সে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কাজইকাটা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে একই এলাকার আট বছর বয়সী এক শিশু কোনামালঞ্চ নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়তে গেলে শিক্ষক শরিফুল মাদ্রাসার পাশে তার থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে। এক পর্যায়ে মেয়েটি চিৎকার দিলে পরিবার ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পরেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বুধবার রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলো শিক্ষক শরীফুল। শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষনের পর বুধবার রাতেই শিশুর চাচা বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শরীফুলকে হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ১০ হাজার টাকায় চাকরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর লোকেশন শনাক্ত করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষনের দায় স্বীকার করেছে। আজ তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

আসমাউল আসিফ, জামালপুর 

১২ মে, ২০২৩,  8:48 PM

news image

জামালপুরের মেলান্দহে এক মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ট্রাকিংয়ে তার অবস্থান শনাক্ত করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতাকৃত শিক্ষক শরিফূল (৩৮) উপজেলার ফুলকোঁচা ইউনিয়নের কোনামালঞ্চ নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও কোনামালঞ্চ জামে মসজিদের ইমাম। সে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কাজইকাটা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে একই এলাকার আট বছর বয়সী এক শিশু কোনামালঞ্চ নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়তে গেলে শিক্ষক শরিফুল মাদ্রাসার পাশে তার থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে। এক পর্যায়ে মেয়েটি চিৎকার দিলে পরিবার ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পরেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বুধবার রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলো শিক্ষক শরীফুল। শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষনের পর বুধবার রাতেই শিশুর চাচা বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শরীফুলকে হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ১০ হাজার টাকায় চাকরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীর লোকেশন শনাক্ত করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষনের দায় স্বীকার করেছে। আজ তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।