দৌলতপুরে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী জাহিদের সংবাদ সম্মেলন

#
news image

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে দৌলতপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান।

এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর সহিত পারিবারিক বনীবনা না হওয়ার কারনে তাকে কিছুদিন আগে তালাক প্রদান করি। এই ঘটনাকে ইস্যু করে আমার কাছে মোঃ শাহিন মন্ডল (৩৫), পিতা-সোহরাব হোসেন সেন্টু, গ্রাম- ভাগজোত কাষ্টমমোড় ও মোঃ ওয়াজেদ আলী (৩৮), পিতা-অজ্ঞাত, গ্রাম-ফিলিপনগর, উভয় থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন গত ৯ এপ্রিল দুপুর ২.০০ টার সময় ভাগজোত মধ্য বাজারে আমার  ক্লিনিক এসে নিজেদেরকে সাংবাদিক বলে পরিচয় দেয়। এ সময় তারা দাবী করেন আমার ক্লিনিক অনৈতিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

এরপর সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা আমার নিকট এক লক্ষ টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে আমার  বিরুদ্ধে মিথ্যা কাল্পনিক কাহিনী সৃষ্টি করে পেপার প্রত্রিকায় প্রচার করে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে পোষ্ট করে মানহানীর হুমকি দেয়। বিষয়টি আমার ক্লিনিকের সি সি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে বুঝতে পারবেন। টাকা না দিলে পরে সময় টেলিভিশনের লোগো নকল করে শাহিন নিজে আমার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মিথ্যা কথা ফেসবুকে প্রচার করে ।

উল্লেখ্য, শাহিন এবং ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তারা সাংবাদিকতার নামে মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে মোটা অংকের টাকা ধান্দা করে থাকে যা আপনারা দৌলতপুর উপজেলার সাধারন মানুষের কাছে জিজ্ঞাসা করলেও পাবেন ।

শাহিন স্থানীয় বিএনপি ক্যাডার, নাশকতা মামলার আসামী ও সরকার বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। তাই পুলিশী ঝামেলা থেকে বাঁচতে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। তারা মাদক সহ বিভিন্ন ক্রাইমের সাথে জড়িত। মাদক পাচারের জন্য সাংবাদিক লেবাচ ধারন করছে শাহিন।

সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে আমি এই ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও   ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

মোঃ জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া

১২ মে, ২০২৩,  7:41 PM

news image

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে দৌলতপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান।

এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর সহিত পারিবারিক বনীবনা না হওয়ার কারনে তাকে কিছুদিন আগে তালাক প্রদান করি। এই ঘটনাকে ইস্যু করে আমার কাছে মোঃ শাহিন মন্ডল (৩৫), পিতা-সোহরাব হোসেন সেন্টু, গ্রাম- ভাগজোত কাষ্টমমোড় ও মোঃ ওয়াজেদ আলী (৩৮), পিতা-অজ্ঞাত, গ্রাম-ফিলিপনগর, উভয় থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন গত ৯ এপ্রিল দুপুর ২.০০ টার সময় ভাগজোত মধ্য বাজারে আমার  ক্লিনিক এসে নিজেদেরকে সাংবাদিক বলে পরিচয় দেয়। এ সময় তারা দাবী করেন আমার ক্লিনিক অনৈতিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

এরপর সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা আমার নিকট এক লক্ষ টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে আমার  বিরুদ্ধে মিথ্যা কাল্পনিক কাহিনী সৃষ্টি করে পেপার প্রত্রিকায় প্রচার করে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে পোষ্ট করে মানহানীর হুমকি দেয়। বিষয়টি আমার ক্লিনিকের সি সি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে বুঝতে পারবেন। টাকা না দিলে পরে সময় টেলিভিশনের লোগো নকল করে শাহিন নিজে আমার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মিথ্যা কথা ফেসবুকে প্রচার করে ।

উল্লেখ্য, শাহিন এবং ওয়াজেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তারা সাংবাদিকতার নামে মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে মোটা অংকের টাকা ধান্দা করে থাকে যা আপনারা দৌলতপুর উপজেলার সাধারন মানুষের কাছে জিজ্ঞাসা করলেও পাবেন ।

শাহিন স্থানীয় বিএনপি ক্যাডার, নাশকতা মামলার আসামী ও সরকার বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। তাই পুলিশী ঝামেলা থেকে বাঁচতে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। তারা মাদক সহ বিভিন্ন ক্রাইমের সাথে জড়িত। মাদক পাচারের জন্য সাংবাদিক লেবাচ ধারন করছে শাহিন।

সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে আমি এই ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও   ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।