শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

বুয়েট শিক্ষার্থী সানি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ মে

#
news image

পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ৩০ মে ঠিক করেছে আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কামরুন্নাহারের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার।

তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় বিচারক নতুন তারিখ ঠিক করেন। মামলার আসামিরা হলেন শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, শরীফুল হোসেন, মো. রুবেল, মো. নুরুজ্জামান, মো. সজীব, মো. নাসির, মো. মারুফ, আশরাফুল আলম, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এ টি এম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৪ জুলাই সানিসহ ১৫ থেকে ১৬ তরুণ পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে ঘুরতে যান। তাদের মধ্যে সানি নিখোঁজ থাকায় রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোহার থানায় খবর দেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সানিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ওইদিন বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান দোহার থানায় হত্যা মামলা করেন, যাতে আসামি করা হয় বুয়েট শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ১৫ বন্ধুকে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। 

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

০৩ মে, ২০২৩,  7:43 PM

news image

পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ৩০ মে ঠিক করেছে আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কামরুন্নাহারের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার।

তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় বিচারক নতুন তারিখ ঠিক করেন। মামলার আসামিরা হলেন শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, শরীফুল হোসেন, মো. রুবেল, মো. নুরুজ্জামান, মো. সজীব, মো. নাসির, মো. মারুফ, আশরাফুল আলম, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এ টি এম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৪ জুলাই সানিসহ ১৫ থেকে ১৬ তরুণ পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে ঘুরতে যান। তাদের মধ্যে সানি নিখোঁজ থাকায় রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোহার থানায় খবর দেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সানিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ওইদিন বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান দোহার থানায় হত্যা মামলা করেন, যাতে আসামি করা হয় বুয়েট শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ১৫ বন্ধুকে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।