শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

বুয়েট শিক্ষার্থী সানি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ মে

#
news image

পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ৩০ মে ঠিক করেছে আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কামরুন্নাহারের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার।

তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় বিচারক নতুন তারিখ ঠিক করেন। মামলার আসামিরা হলেন শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, শরীফুল হোসেন, মো. রুবেল, মো. নুরুজ্জামান, মো. সজীব, মো. নাসির, মো. মারুফ, আশরাফুল আলম, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এ টি এম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৪ জুলাই সানিসহ ১৫ থেকে ১৬ তরুণ পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে ঘুরতে যান। তাদের মধ্যে সানি নিখোঁজ থাকায় রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোহার থানায় খবর দেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সানিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ওইদিন বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান দোহার থানায় হত্যা মামলা করেন, যাতে আসামি করা হয় বুয়েট শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ১৫ বন্ধুকে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। 

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

০৩ মে, ২০২৩,  7:43 PM

news image

পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ৩০ মে ঠিক করেছে আদালত। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কামরুন্নাহারের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার।

তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় বিচারক নতুন তারিখ ঠিক করেন। মামলার আসামিরা হলেন শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, শরীফুল হোসেন, মো. রুবেল, মো. নুরুজ্জামান, মো. সজীব, মো. নাসির, মো. মারুফ, আশরাফুল আলম, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এ টি এম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৪ জুলাই সানিসহ ১৫ থেকে ১৬ তরুণ পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে ঘুরতে যান। তাদের মধ্যে সানি নিখোঁজ থাকায় রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা দোহার থানায় খবর দেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে সানিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। পরদিন সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ওইদিন বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান দোহার থানায় হত্যা মামলা করেন, যাতে আসামি করা হয় বুয়েট শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ১৫ বন্ধুকে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।