সুন্দরগঞ্জে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আহত-৩

#
news image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিজ জমিতে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে এক ৭৫ বছরের বৃদ্ধাসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের নিজামখাঁ গ্রামে মৃত বরিজ উদ্দিনের ছেলে রওশন মিয়া তার পারিবারিক বসতভিটা রাস্তা সংলগ্ন জমিতে কয়েক গাছের চারা লাগান। গাছের চারা লাগানোর কিছুক্ষণ পরে একই গ্রামের মৃত মানুন উল্লাহ মুন্সির ছেলে আজগার আলী, আজগার আলীর ছেলে আসাদুল ইসলাম, আশেক আলী, একরামুল হক ও আসাদুল ইসলামের ছেলে শুভ মিয়া লাগানো গাছের চারা গুলো জোড় পূর্বক উবরে ও ভেঙে ফেলে। এসময় রওশন আলী, তার মা রহিমা বেওয়া ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম বাধা দিলে তাদের বেদম মারপিট করে।

আসামীদের বেদম মারপিটের কারণে এক পর্যায়ে ওই ৭৫ বছরের বৃদ্ধা রহিমা বেওয়ার হাত ভেঙে গেলে অজ্ঞান হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পরে।

তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধা ও গৃহবধুকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। বর্তমানে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত রাশেদা বেগম বলেন, আমরা পারিবারিকভাবে নির্যাতনের শিকার। অভিযুক্তরা পথেঘাটে আমাদের অশালীন মন্তব্য করে। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

 

হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

০৯ এপ্রিল, ২০২৩,  4:06 PM

news image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিজ জমিতে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে এক ৭৫ বছরের বৃদ্ধাসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের নিজামখাঁ গ্রামে মৃত বরিজ উদ্দিনের ছেলে রওশন মিয়া তার পারিবারিক বসতভিটা রাস্তা সংলগ্ন জমিতে কয়েক গাছের চারা লাগান। গাছের চারা লাগানোর কিছুক্ষণ পরে একই গ্রামের মৃত মানুন উল্লাহ মুন্সির ছেলে আজগার আলী, আজগার আলীর ছেলে আসাদুল ইসলাম, আশেক আলী, একরামুল হক ও আসাদুল ইসলামের ছেলে শুভ মিয়া লাগানো গাছের চারা গুলো জোড় পূর্বক উবরে ও ভেঙে ফেলে। এসময় রওশন আলী, তার মা রহিমা বেওয়া ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম বাধা দিলে তাদের বেদম মারপিট করে।

আসামীদের বেদম মারপিটের কারণে এক পর্যায়ে ওই ৭৫ বছরের বৃদ্ধা রহিমা বেওয়ার হাত ভেঙে গেলে অজ্ঞান হয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পরে।

তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধা ও গৃহবধুকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। বর্তমানে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত রাশেদা বেগম বলেন, আমরা পারিবারিকভাবে নির্যাতনের শিকার। অভিযুক্তরা পথেঘাটে আমাদের অশালীন মন্তব্য করে। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।