শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

মার্চে রপ্তানি আয় কমেছে ২.৪৯ শতাংশ

#
news image

বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতির ধীরগতির মধ্যেও সবশেষ চার মাসে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারলেও সদ্য সমাপ্ত মার্চে তা আর হয়ে ওঠেনি; আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে মোট রপ্তানি আয়।

রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, মার্চে বাংলাদেশ থেকে ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও মোট আয় সাড়ে ৭ শতাংশ কম। মার্চে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫.০২ বিলিয়ন ডলার, এক বছর আগে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী তৈরি পোশাকের চালান বিশ্ববাজারে ভালো গেছে; ফলে ফেব্রুয়ারিতে বছরওয়ারি হিসেবে পণ্য রপ্তানি ৭.৮১ শতাংশ বেড়ে ৪.৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়। তবে টানা তিন মাস পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঘরে থাকার পর ফেব্রুয়ারিতেই তা কমে আসে।

নাগরিক প্রতিবেদক

০৩ এপ্রিল, ২০২৩,  3:43 PM

news image

বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতির ধীরগতির মধ্যেও সবশেষ চার মাসে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারলেও সদ্য সমাপ্ত মার্চে তা আর হয়ে ওঠেনি; আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে মোট রপ্তানি আয়।

রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, মার্চে বাংলাদেশ থেকে ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও মোট আয় সাড়ে ৭ শতাংশ কম। মার্চে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫.০২ বিলিয়ন ডলার, এক বছর আগে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী তৈরি পোশাকের চালান বিশ্ববাজারে ভালো গেছে; ফলে ফেব্রুয়ারিতে বছরওয়ারি হিসেবে পণ্য রপ্তানি ৭.৮১ শতাংশ বেড়ে ৪.৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়। তবে টানা তিন মাস পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঘরে থাকার পর ফেব্রুয়ারিতেই তা কমে আসে।