কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরে রামনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেসিং আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর
এস কে রঞ্জন, কলাপাড়া
২৭ মার্চ, ২০২৩, 10:29 AM
কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরে রামনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেসিং আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রাবন্দর ”রামনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেসিং আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৬ মার্চ রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে পায়রাবন্দর সভা কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে চ্যনেলটির হস্তান্তর করা হয় । এসময় উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুহিববুর রহমান, পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এমমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল,স্কিম পরিচালক রাজীব ত্রিপুরা, প্রকল্প পরিচালক জ্যা,জ্যান মুয়েনস সহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্যবৃন্দ। বেলজিয়াম ভিত্তিক জ্যান ডি নুল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ কাজটি সম্পন্ন করেন।
অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো.মুহিববুর রহমান বলেন,ক্যাপিটাল ড্রেসিং শেষ হবার ফলে পায়রা বন্দর একটি শ্রেষ্ঠ বন্দরে পরিনত হয়েছে। এ বন্দরের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে এবং মানুষের জীবন-মানের উন্নয়ন ঘটবে।
পায়রা বন্দর কর্তপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন’ পায়রা বন্দর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম স্মার্ট বন্দর। এ বন্দর এখন আর সম্ভাবনা নয়, বাস্তবতা । এটি প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত । নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি আধুনিক মাষ্টার প্লানের আওতায় এই বন্দরটি ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে । ইতিমধ্যে ৬.৫০০ একর ভ’মি অধিগ্রহন করা হয়েছে। আগামীতে বন্দরে প্রথম টার্মিনালের সাথে যুক্ত হচ্ছে মাল্টিপারপাস টার্মিনাল । কন্টেইনার টার্মিনাল -১,কন্টেইনার টার্মিনাল -২ ,লিকুইড বাল্ক টার্মিনাল, কোল টার্মিনাল ,এলএনজি টার্মিনাল । ইতিমধ্যে বন্দরকে ঘিরে দেশী-বিদেশী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে । এখানে গড়ে উঠেছে ,পায়রা শিল্প নগরী, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল,শিল্প ব্রেকিং-ইন্ডাষ্ট্রি,ডক ইয়ার্ড,বিমান বন্দর । খুব শিঘ্রই পায়রা বন্দর হয়ে উঠবে দক্ষিন এশিয়ার বৈদেশিক বানিজ্যের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র।
স্কীম পরিচালক কমডোর রাজীব ত্রিপুরা বলেন’ দীর্ঘ ৭৫ কিঃ মিঃ চ্যানেল এই ক্যাপিটাল ড্রেজিং বাস্তবায়নের আগে দীর্ঘ কয়েক বছর স্ট্যাডি ও সমীক্ষা করা হয়েছে। এই স্ট্যাডি হতে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে চুড়ান্তভাবে আর্ন্তজাতিক ডিজাইন করে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হয়।
প্রজেক্ট পরিচালক জ্যা,জ্যান মুয়েনস বলেন’বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রার ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর কাজে সরাসরি যুক্ত হতে পারা জ্যান ,ডি,নুল এর জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় ।সাফল্যজনক ভাব্ েখনন শেষ করে আজ খুবই আনন্দিত । এই সাফল্যের মাধ্যমে বেলজিয়াম এবং বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন । এছাড়াও জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদদেরও শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করে তাদের আত্মার মাফরেফাত কামনা করা হয়।
এ ড্রেজিং কার্যক্রমের ফলে রামনাবাদ চ্যানেলটি ১০.৫ মিটার গভীরতায় উন্নীত হয়েছে ।এর ফলে ২২৫ মিটার দের্ঘ্য এবং ৩২ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্যনাম্যাক্্র আকৃতির বড় জাহাজ ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মেঃটন পন্য নিয়ে সরসরি বন্দরে ভীড়তে পারলে ওই প্রেসব্রিফিং এ উল্লেখ করা হয়।
এস কে রঞ্জন, কলাপাড়া
২৭ মার্চ, ২০২৩, 10:29 AM
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রাবন্দর ”রামনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেসিং আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৬ মার্চ রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে পায়রাবন্দর সভা কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে চ্যনেলটির হস্তান্তর করা হয় । এসময় উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুহিববুর রহমান, পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এমমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল,স্কিম পরিচালক রাজীব ত্রিপুরা, প্রকল্প পরিচালক জ্যা,জ্যান মুয়েনস সহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্যবৃন্দ। বেলজিয়াম ভিত্তিক জ্যান ডি নুল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ কাজটি সম্পন্ন করেন।
অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো.মুহিববুর রহমান বলেন,ক্যাপিটাল ড্রেসিং শেষ হবার ফলে পায়রা বন্দর একটি শ্রেষ্ঠ বন্দরে পরিনত হয়েছে। এ বন্দরের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে এবং মানুষের জীবন-মানের উন্নয়ন ঘটবে।
পায়রা বন্দর কর্তপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন’ পায়রা বন্দর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম স্মার্ট বন্দর। এ বন্দর এখন আর সম্ভাবনা নয়, বাস্তবতা । এটি প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত । নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি আধুনিক মাষ্টার প্লানের আওতায় এই বন্দরটি ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে । ইতিমধ্যে ৬.৫০০ একর ভ’মি অধিগ্রহন করা হয়েছে। আগামীতে বন্দরে প্রথম টার্মিনালের সাথে যুক্ত হচ্ছে মাল্টিপারপাস টার্মিনাল । কন্টেইনার টার্মিনাল -১,কন্টেইনার টার্মিনাল -২ ,লিকুইড বাল্ক টার্মিনাল, কোল টার্মিনাল ,এলএনজি টার্মিনাল । ইতিমধ্যে বন্দরকে ঘিরে দেশী-বিদেশী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে । এখানে গড়ে উঠেছে ,পায়রা শিল্প নগরী, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল,শিল্প ব্রেকিং-ইন্ডাষ্ট্রি,ডক ইয়ার্ড,বিমান বন্দর । খুব শিঘ্রই পায়রা বন্দর হয়ে উঠবে দক্ষিন এশিয়ার বৈদেশিক বানিজ্যের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র।
স্কীম পরিচালক কমডোর রাজীব ত্রিপুরা বলেন’ দীর্ঘ ৭৫ কিঃ মিঃ চ্যানেল এই ক্যাপিটাল ড্রেজিং বাস্তবায়নের আগে দীর্ঘ কয়েক বছর স্ট্যাডি ও সমীক্ষা করা হয়েছে। এই স্ট্যাডি হতে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে চুড়ান্তভাবে আর্ন্তজাতিক ডিজাইন করে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হয়।
প্রজেক্ট পরিচালক জ্যা,জ্যান মুয়েনস বলেন’বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রার ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর কাজে সরাসরি যুক্ত হতে পারা জ্যান ,ডি,নুল এর জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় ।সাফল্যজনক ভাব্ েখনন শেষ করে আজ খুবই আনন্দিত । এই সাফল্যের মাধ্যমে বেলজিয়াম এবং বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন । এছাড়াও জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদদেরও শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করে তাদের আত্মার মাফরেফাত কামনা করা হয়।
এ ড্রেজিং কার্যক্রমের ফলে রামনাবাদ চ্যানেলটি ১০.৫ মিটার গভীরতায় উন্নীত হয়েছে ।এর ফলে ২২৫ মিটার দের্ঘ্য এবং ৩২ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্যনাম্যাক্্র আকৃতির বড় জাহাজ ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মেঃটন পন্য নিয়ে সরসরি বন্দরে ভীড়তে পারলে ওই প্রেসব্রিফিং এ উল্লেখ করা হয়।