শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডির আঘাতে মৃতের সংখ্যা ৪০০

#
news image

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডির আঘাতে আফ্রিকার মালাবি, মোজাম্বিক ও মাদাগাস্কারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ ছাড়িয়েছে। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের পর এখন পর্যন্ত মালাবিতে ৩২৬, মোজাম্বিকে ৫৩ ও মাদাগাস্কারে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

চলতি বছর আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে এ নিয়ে দুবার ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানল। গত শনিবার ফ্রেডির আঘাতের আগে ফেব্রুয়ারিতে এ অঞ্চলে তা-ব চালায় উপকূলীয় আরেকটি ঘূর্ণিঝড়। এরইমধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি বিলীন হয়ে গেছে। তবে মালাবির কিছু অংশে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর ফলে কিছু এলাকায় আরও বন্যা হতে পারে। দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর থেকে মালাবির কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মোজাম্বিকের দুর্যোগ-ত্রাণ সংস্থার মুখপাত্র পাওলো টমাস বলেছেন, ‘অনেক মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য আমরা নৌকাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা সচল রেখেছি। উদ্ধারের পর সেসব মানুষের খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন।’

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত হতে মোজাম্বিকের কর্তৃপক্ষের বেশ কয়েকদিন সময়ও লাগছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাদেশটিতে আঘাত হানা অন্যতম প্রাণঘাতী এই ঝড়কে দক্ষিণ গোলার্ধে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বলা হচ্ছে।

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

১৭ মার্চ, ২০২৩,  9:13 PM

news image

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডির আঘাতে আফ্রিকার মালাবি, মোজাম্বিক ও মাদাগাস্কারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ ছাড়িয়েছে। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের পর এখন পর্যন্ত মালাবিতে ৩২৬, মোজাম্বিকে ৫৩ ও মাদাগাস্কারে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

চলতি বছর আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে এ নিয়ে দুবার ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানল। গত শনিবার ফ্রেডির আঘাতের আগে ফেব্রুয়ারিতে এ অঞ্চলে তা-ব চালায় উপকূলীয় আরেকটি ঘূর্ণিঝড়। এরইমধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি বিলীন হয়ে গেছে। তবে মালাবির কিছু অংশে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর ফলে কিছু এলাকায় আরও বন্যা হতে পারে। দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর থেকে মালাবির কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মোজাম্বিকের দুর্যোগ-ত্রাণ সংস্থার মুখপাত্র পাওলো টমাস বলেছেন, ‘অনেক মানুষ আটকা পড়েছে। তাদের সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য আমরা নৌকাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা সচল রেখেছি। উদ্ধারের পর সেসব মানুষের খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন।’

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত হতে মোজাম্বিকের কর্তৃপক্ষের বেশ কয়েকদিন সময়ও লাগছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাদেশটিতে আঘাত হানা অন্যতম প্রাণঘাতী এই ঝড়কে দক্ষিণ গোলার্ধে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বলা হচ্ছে।