শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

ইবি ছাত্রীর বিবস্ত্র ভিডিও ধারণ : ভিডিও উদ্ধার তৎপরতা শুরু

#
news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুন নির্যাতন ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ ঘটনায় তৎপরতা শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভিডিওটি অভিযুক্ত হালিমা খাতুনের ফোনে ধারণ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর।

বৃহস্পতিবার (০৯ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে উ”চ আদালতের পূর্নাঙ্গ নির্দেশনাগুলো হাতে পেয়েছি। পূর্বে উ”চ আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ মার্চ) রেজিস্ট্রার ইবি থানায় অফিসিয়ালি লিখিত দিয়েছেন। আগামী শনিবার  (১১ মার্চ) অভিযুক্ত হালিমা খাতুন উর্মীর সকল তথ্য বিভাগ থেকে সংগ্রহ করবে থানা। এখন পর্যন্ত মোবাইল ফোনের উদ্ধার তৎপরতা চলমান।

এ বিষয়ে ইবি থানার ওসি আননূর যায়েদ বিপ্লব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হতে প্রেরিত একটি লিখিত পেয়েছি। চিঠিটি পাওয়া থেকে আজ অব্দি উদ্ধার কাজের তৎপরতা চলছে।

এদিকে শনিবার (০৪ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিন ফুলপরীকে শেখ হাসিনা হল থেকে স্থানান্তরিত করে তার পছন্দ মত বঙ্গমাতা হলের বকুল ব্লকের ৫০১ রুমে তুলে দেন।

ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিস্কাকের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই প্রেক্ষিতে গত শনিবার (০৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে অভিযুক্তদের সাময়িক বহিষ্কার এবং ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কেনো তাদের  স্থায়ী বহিস্কার করা হবেনা সেই মর্মে কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারী দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে ফুলপরী নামের নবীন এক শিক্ষার্থীকে গনরুমে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা বরাবর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।  গত ১৫ ফেব্রুয়ারী এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী গাজী মো. মহসীন।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

০৯ মার্চ, ২০২৩,  5:54 PM

news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুন নির্যাতন ও বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ ঘটনায় তৎপরতা শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভিডিওটি অভিযুক্ত হালিমা খাতুনের ফোনে ধারণ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর।

বৃহস্পতিবার (০৯ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে উ”চ আদালতের পূর্নাঙ্গ নির্দেশনাগুলো হাতে পেয়েছি। পূর্বে উ”চ আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ মার্চ) রেজিস্ট্রার ইবি থানায় অফিসিয়ালি লিখিত দিয়েছেন। আগামী শনিবার  (১১ মার্চ) অভিযুক্ত হালিমা খাতুন উর্মীর সকল তথ্য বিভাগ থেকে সংগ্রহ করবে থানা। এখন পর্যন্ত মোবাইল ফোনের উদ্ধার তৎপরতা চলমান।

এ বিষয়ে ইবি থানার ওসি আননূর যায়েদ বিপ্লব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হতে প্রেরিত একটি লিখিত পেয়েছি। চিঠিটি পাওয়া থেকে আজ অব্দি উদ্ধার কাজের তৎপরতা চলছে।

এদিকে শনিবার (০৪ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিন ফুলপরীকে শেখ হাসিনা হল থেকে স্থানান্তরিত করে তার পছন্দ মত বঙ্গমাতা হলের বকুল ব্লকের ৫০১ রুমে তুলে দেন।

ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিস্কাকের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই প্রেক্ষিতে গত শনিবার (০৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে অভিযুক্তদের সাময়িক বহিষ্কার এবং ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কেনো তাদের  স্থায়ী বহিস্কার করা হবেনা সেই মর্মে কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারী দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে ফুলপরী নামের নবীন এক শিক্ষার্থীকে গনরুমে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা বরাবর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী।  গত ১৫ ফেব্রুয়ারী এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী গাজী মো. মহসীন।