শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

বিশ্বের শতাধিক দেশের মধ্যে সমুদ্র চুক্তি স্বাক্ষর

#
news image

স্থানীয় সময় গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে দীর্ঘ ৩৮ ঘণ্টার বৈঠক শেষে সমুদ্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে যেকোনো মূল্যে বিশ্বের গভীর সমুদ্র অঞ্চলের প্রকৃতির ৩০ শতাংশ বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। গভীর সমুদ্র এবং এর জীববৈচিত্র রক্ষায় এমন চুক্তি এই প্রথম। এর আগে প্রায় এক দশক ধরে অর্থায়ন এবং সমুদ্রে মাছ ধরার অধিকারের বিষয়টি নিয়ে মতানৈক্যের কারণে চুক্তিটি ঝুলে ছিল। সর্বশেষ ৪০ বছর আগে ইউএন কনভেনশন ‘অন দ্য ল অব দ্য সি’ স্বাক্ষর হয়েছিল ১৯৮২ সালে।

বিশ্বের সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষণে এ চুক্তিটি হয়। ইউএন কনভেনশন ‘অন দ্য ল অব দ্য সি’ অনুসারে গভীর সমুদ্র অঞ্চল ধারণাটি প্রতিষ্ঠা করে, যা আন্তর্জাতিক জলসীমা নামে পরিচিত। সেখানে সব দেশরই মাছ শিকার, জাহাজ পরিচালনা এবং গবেষণা চালানোর অধিকার রয়েছে। এ চুক্তি অনুসারে গভীর সমুদ্রের মাত্র ১.২ শতাংশ সংরক্ষিত ছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচারের (আইইউসিএন) সর্বশেষ মূল্যায়ন অনুসারে, বৈশ্বিক সামুদ্রিক প্রজাতির প্রায় ১০ শতাংশই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে নতুন চুক্তি অনুসারে ৩০ শতাংশ গভীর সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি সমুদ্রে মাছ ধরা, জাহাজ চলাচল এবং বিভিন্ন ধরনের অভিযান ও খননও সীমাবদ্ধ করে দেয়া হবে। সূত্র: বিবিসি

নাগরিক অনলাইন ডেস্ক

০৬ মার্চ, ২০২৩,  11:10 AM

news image

স্থানীয় সময় গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে দীর্ঘ ৩৮ ঘণ্টার বৈঠক শেষে সমুদ্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে যেকোনো মূল্যে বিশ্বের গভীর সমুদ্র অঞ্চলের প্রকৃতির ৩০ শতাংশ বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। গভীর সমুদ্র এবং এর জীববৈচিত্র রক্ষায় এমন চুক্তি এই প্রথম। এর আগে প্রায় এক দশক ধরে অর্থায়ন এবং সমুদ্রে মাছ ধরার অধিকারের বিষয়টি নিয়ে মতানৈক্যের কারণে চুক্তিটি ঝুলে ছিল। সর্বশেষ ৪০ বছর আগে ইউএন কনভেনশন ‘অন দ্য ল অব দ্য সি’ স্বাক্ষর হয়েছিল ১৯৮২ সালে।

বিশ্বের সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষণে এ চুক্তিটি হয়। ইউএন কনভেনশন ‘অন দ্য ল অব দ্য সি’ অনুসারে গভীর সমুদ্র অঞ্চল ধারণাটি প্রতিষ্ঠা করে, যা আন্তর্জাতিক জলসীমা নামে পরিচিত। সেখানে সব দেশরই মাছ শিকার, জাহাজ পরিচালনা এবং গবেষণা চালানোর অধিকার রয়েছে। এ চুক্তি অনুসারে গভীর সমুদ্রের মাত্র ১.২ শতাংশ সংরক্ষিত ছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচারের (আইইউসিএন) সর্বশেষ মূল্যায়ন অনুসারে, বৈশ্বিক সামুদ্রিক প্রজাতির প্রায় ১০ শতাংশই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে নতুন চুক্তি অনুসারে ৩০ শতাংশ গভীর সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি সমুদ্রে মাছ ধরা, জাহাজ চলাচল এবং বিভিন্ন ধরনের অভিযান ও খননও সীমাবদ্ধ করে দেয়া হবে। সূত্র: বিবিসি