সরিষাবাড়ীতে জমিতে ফসল চাষে বাধা

#
news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রতিবেশীর প্রতিহিংসায় এক কৃষকের জমিতে ফসল চাষে ব‍্যাহত হচ্ছে। ওই কৃষকের জমির চারপাশে ফসলি চারা রোপণ হলেও শুধু হয়নি তার জমিতে। ওই কৃষক অভিযোগ করে বলেন তার জমিতে পানি ও হালচাষ করতে দিচ্ছে না প্রতিবেশী আব্দুল বারেক এবং তার পরিবার।

ভুক্তভোগী কৃষক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চুনিয়াপটল গ্রামের মৃত ময়ান উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (কেতু) ও একই এলাকার আব্দুল বারেক এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরেই আব্দুল বারেক এবং তার পরিবারের লোকজন মোফাজ্জল হোসেন কেতুর জমিতে হালচাষ ও পানি দিতে নিষেধ করে। এতে সেচ পাম্প মালিক হুরমুজ আলী, তোফাজ্জল হোসেন ও ট্রাকটর মালিক লাভলু মিয়া, দেলোয়ার হোসেন আশেপাশের জমিতে চাষ ও পানি দিলেও শুধু নিষেধাজ্ঞা জমিতে তারা যাচ্ছে না। এতে কেতু মন্ডলের ৪০ শতাংশ জমি অনাবাদি থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে হতাশায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে ট্রাক্টর মালিক লাভলু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরিষা উঠানোর পর আমাকে তার জমিতে হালচাষ করতে বলে নাই। আমাকে বললে অবশ্যই চাষ দিতাম।

সেচ মালিক তোফাজ্জল হোসেন এর ছেলে ফরিদ বলেন, আমাকে পানি দিতে বলেন নাই। তাই আমি পানি দেই নাই।

এ বিষয়ে সাতপোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন, মোফাজ্জল হোসেন (কেতু মন্ডল) এর জমিতে পানি ও ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ দিতে অনীহা প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। এ বিষয়টি খোজ খবর নিয়ে একটা বিহীত করার চেষ্টা করব। 

রাইসুল ইসলাম খোকন, সরিষাবাড়ী (জামালপুর)

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:49 PM

news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রতিবেশীর প্রতিহিংসায় এক কৃষকের জমিতে ফসল চাষে ব‍্যাহত হচ্ছে। ওই কৃষকের জমির চারপাশে ফসলি চারা রোপণ হলেও শুধু হয়নি তার জমিতে। ওই কৃষক অভিযোগ করে বলেন তার জমিতে পানি ও হালচাষ করতে দিচ্ছে না প্রতিবেশী আব্দুল বারেক এবং তার পরিবার।

ভুক্তভোগী কৃষক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চুনিয়াপটল গ্রামের মৃত ময়ান উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (কেতু) ও একই এলাকার আব্দুল বারেক এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরেই আব্দুল বারেক এবং তার পরিবারের লোকজন মোফাজ্জল হোসেন কেতুর জমিতে হালচাষ ও পানি দিতে নিষেধ করে। এতে সেচ পাম্প মালিক হুরমুজ আলী, তোফাজ্জল হোসেন ও ট্রাকটর মালিক লাভলু মিয়া, দেলোয়ার হোসেন আশেপাশের জমিতে চাষ ও পানি দিলেও শুধু নিষেধাজ্ঞা জমিতে তারা যাচ্ছে না। এতে কেতু মন্ডলের ৪০ শতাংশ জমি অনাবাদি থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে হতাশায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে ট্রাক্টর মালিক লাভলু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরিষা উঠানোর পর আমাকে তার জমিতে হালচাষ করতে বলে নাই। আমাকে বললে অবশ্যই চাষ দিতাম।

সেচ মালিক তোফাজ্জল হোসেন এর ছেলে ফরিদ বলেন, আমাকে পানি দিতে বলেন নাই। তাই আমি পানি দেই নাই।

এ বিষয়ে সাতপোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন, মোফাজ্জল হোসেন (কেতু মন্ডল) এর জমিতে পানি ও ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ দিতে অনীহা প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। এ বিষয়টি খোজ খবর নিয়ে একটা বিহীত করার চেষ্টা করব।