শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৯২ কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে যন্ত্রপাতি

#
news image

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গ্যাস টারবাইন মেরামত করে চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে আবার উৎপাদনে আসছে চট্টগ্রামের শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট। পাওয়ার প্ল্যান্টটি উৎপাদনে ফেরাতে ৯১ কোটি ৮৫ লাখ ৫১ হাজার ৪৮৯ টাকার যন্ত্রপাতি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ঢাকার জে অ্যান্ড সি ইমপেক্সের কাছ থেকে এ যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ সভা হয়। পরে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ঢাকার জে অ্যান্ড সি ইমপেক্সের কাছ থেকে চট্টগ্রামের শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের গ্যাস টারবাইন অংশের সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ সংগ্রহ, স্থাপন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ সেবা নেবে।

এজন্য ব্যয় হবে ৯১ কোটি ৮৫ হাজার ৪৮৯ টাকা। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ব্যবস্থাপক কামরুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গ্যাস টারবাইনসহ অন্যান্য যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ। নতুন করে যেসব সংস্কারকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে আগামী মার্চ-এপ্রিলে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে আমরা আশা করছি।

নাগরিক প্রতিবেদক

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  6:27 PM

news image

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গ্যাস টারবাইন মেরামত করে চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে আবার উৎপাদনে আসছে চট্টগ্রামের শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট। পাওয়ার প্ল্যান্টটি উৎপাদনে ফেরাতে ৯১ কোটি ৮৫ লাখ ৫১ হাজার ৪৮৯ টাকার যন্ত্রপাতি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ঢাকার জে অ্যান্ড সি ইমপেক্সের কাছ থেকে এ যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ সভা হয়। পরে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ঢাকার জে অ্যান্ড সি ইমপেক্সের কাছ থেকে চট্টগ্রামের শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের গ্যাস টারবাইন অংশের সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ সংগ্রহ, স্থাপন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ সেবা নেবে।

এজন্য ব্যয় হবে ৯১ কোটি ৮৫ হাজার ৪৮৯ টাকা। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ব্যবস্থাপক কামরুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গ্যাস টারবাইনসহ অন্যান্য যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ। নতুন করে যেসব সংস্কারকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে আগামী মার্চ-এপ্রিলে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে আমরা আশা করছি।