শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট: এখন কিনলে পাবেন ৩০ বছর পর

#
news image

একসময় আসাহিয়ার সামনে কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট কেনার জন্য লম্বা সারি দেখা যেত। পরে এই খাবার অনলাইনেও জনপ্রিয়তা পায়। তবে চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাবারটি সরবরাহ করতে পারেনি আসাহিয়া। বাড়তে থাকে গ্রাহকদের অপেক্ষার পালা। এখন প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিশেষ এই খাবার অর্ডার করার পর গ্রাহকদের তা হাতে পেতে তিন দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এমনকি দাম বাড়িয়ে বা বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেও এটির চাহিদা কমানো যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে এক নারী হিমায়িত কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট হাতে পেয়ে সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খাবারটি অর্ডার করেছিলাম। অবশেষে ৯ বছর পর তা হাতে পেলাম।’ তবে এই নারীর মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। চাহিদা অনেক বেশি ও উপকরণের জোগান সীমিত থাকায় কেউ কেউ খাবারটি ৩০ বছর পরে হাতে পাবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এত দীর্ঘ অপেক্ষা? এমন প্রশ্নের জবাবে আসাহিয়ার মালিক সিগেরু নিত্তা জানান, হিমায়িত এই খাবার বানাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিশেষ জাতের আলু ও তিন বছর বয়সী কোবে গরুর টাটকা মাংস প্রয়োজন। সংরক্ষণ না করে প্রতিদিন সংগ্রহ করা উপকরণ দিয়ে এটা বানানো হয়। মাঝে দীর্ঘদিন আলুর ফলন ভালো হয়নি। তাই খাবারটি প্রয়োজন অনুযায়ী বানানো যায়নি। আর এতেই গ্রাহকদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।

অনলাইন ডেস্ক

১৯ নভেম্বর, ২০২২,  11:32 PM

news image

একসময় আসাহিয়ার সামনে কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট কেনার জন্য লম্বা সারি দেখা যেত। পরে এই খাবার অনলাইনেও জনপ্রিয়তা পায়। তবে চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাবারটি সরবরাহ করতে পারেনি আসাহিয়া। বাড়তে থাকে গ্রাহকদের অপেক্ষার পালা। এখন প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিশেষ এই খাবার অর্ডার করার পর গ্রাহকদের তা হাতে পেতে তিন দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এমনকি দাম বাড়িয়ে বা বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেও এটির চাহিদা কমানো যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে এক নারী হিমায়িত কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট হাতে পেয়ে সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খাবারটি অর্ডার করেছিলাম। অবশেষে ৯ বছর পর তা হাতে পেলাম।’ তবে এই নারীর মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। চাহিদা অনেক বেশি ও উপকরণের জোগান সীমিত থাকায় কেউ কেউ খাবারটি ৩০ বছর পরে হাতে পাবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এত দীর্ঘ অপেক্ষা? এমন প্রশ্নের জবাবে আসাহিয়ার মালিক সিগেরু নিত্তা জানান, হিমায়িত এই খাবার বানাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিশেষ জাতের আলু ও তিন বছর বয়সী কোবে গরুর টাটকা মাংস প্রয়োজন। সংরক্ষণ না করে প্রতিদিন সংগ্রহ করা উপকরণ দিয়ে এটা বানানো হয়। মাঝে দীর্ঘদিন আলুর ফলন ভালো হয়নি। তাই খাবারটি প্রয়োজন অনুযায়ী বানানো যায়নি। আর এতেই গ্রাহকদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।