শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

কুমিল্লায় পাটের সুদিন : কৃষকের মুখে হাসি

#
news image

জেলায় এবার পাট চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবার জেলায় পাটের দাম সর্বোচ্চ। স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে প্রতি মণ পাট ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। পাটের ভালো দাম পেয়ে পাট চাষীরা খুশি।
দোল্লাই নবাবপুর হাটে পাট বিক্রি করতে আসা পাট চাষি মোহাম্মদ আলী বাসসকে জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার পাট চাষ করে লাভবান হয়েছি। আগের বছরগুলোর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপর বাজারে পাট বিক্রি করতে পারতেন না। তবে এবার দাম ভালো।
কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার সব জায়গায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত দুই তিন বছর কাঁচাপাটের রপ্তানি বন্ধ ছিল। বর্তমানে কাঁচাপাটের রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ভালো দাম পাচ্ছেন। ফলে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী হবেন। আশা করি আবারও ফিরে আসবে পাটের সেই সুদিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর, ২০২২,  9:31 PM

news image

জেলায় এবার পাট চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবার জেলায় পাটের দাম সর্বোচ্চ। স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে প্রতি মণ পাট ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। পাটের ভালো দাম পেয়ে পাট চাষীরা খুশি।
দোল্লাই নবাবপুর হাটে পাট বিক্রি করতে আসা পাট চাষি মোহাম্মদ আলী বাসসকে জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার পাট চাষ করে লাভবান হয়েছি। আগের বছরগুলোর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপর বাজারে পাট বিক্রি করতে পারতেন না। তবে এবার দাম ভালো।
কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার সব জায়গায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত দুই তিন বছর কাঁচাপাটের রপ্তানি বন্ধ ছিল। বর্তমানে কাঁচাপাটের রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ভালো দাম পাচ্ছেন। ফলে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী হবেন। আশা করি আবারও ফিরে আসবে পাটের সেই সুদিন।