শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ফের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় সামিট গ্রুপের আজিজ খান

#
news image

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। এই তালিকায় ফের বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম উঠে এসেছে। শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এবার ৪২তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বন্দর, ফাইবার অপটিকস, অবকাঠামো খাতের ব্যবসা পরিচালনা করছে সামিট গ্রুপ। ফোর্বসের হিসেবে এবারই প্রথম আজিজ খান সিঙ্গাপুরের বিলিয়নিয়র ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন।

ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার ৩৩ কোটি মার্কিন ডলারে বিক্রি করা হয়। ফলে সে বছর আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ কমে ৮৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তীতে তার সম্পদের পরিমাণ আবারও বাড়তে শুরু করে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় আজিজ খানের নাম প্রথম স্থান পায় ২০১৮ সালে। সে বছর এই তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৪ নম্বরে। আজিজ খানের তিন সন্তান। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের দায়িত্বে রয়েছেন তার মেয়ে আয়েশা।

বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঠিক মাঝখানে অবস্থান হওয়ায় দেশটি প্রতিবেশীদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তুলনামূলক কম শুল্ক গ্রহণের কারণে বিশ্বে সিঙ্গাপুরের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে।

দেশটিতে অনেক খাতেই ট্যাক্স দিতে হয় না। নানা ক্ষেত্রে বাধাহীন লেনদেনের কারণে সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছেই। ফলে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম।

অনলাইন ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:49 PM

news image

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। এই তালিকায় ফের বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের নাম উঠে এসেছে। শীর্ষ ধনীদের তালিকায় এবার ৪২তম অবস্থানে রয়েছেন তিনি। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বন্দর, ফাইবার অপটিকস, অবকাঠামো খাতের ব্যবসা পরিচালনা করছে সামিট গ্রুপ। ফোর্বসের হিসেবে এবারই প্রথম আজিজ খান সিঙ্গাপুরের বিলিয়নিয়র ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছেন।

ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার ৩৩ কোটি মার্কিন ডলারে বিক্রি করা হয়। ফলে সে বছর আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ কমে ৮৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তীতে তার সম্পদের পরিমাণ আবারও বাড়তে শুরু করে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় আজিজ খানের নাম প্রথম স্থান পায় ২০১৮ সালে। সে বছর এই তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৩৪ নম্বরে। আজিজ খানের তিন সন্তান। সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের দায়িত্বে রয়েছেন তার মেয়ে আয়েশা।

বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঠিক মাঝখানে অবস্থান হওয়ায় দেশটি প্রতিবেশীদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তুলনামূলক কম শুল্ক গ্রহণের কারণে বিশ্বে সিঙ্গাপুরের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে।

দেশটিতে অনেক খাতেই ট্যাক্স দিতে হয় না। নানা ক্ষেত্রে বাধাহীন লেনদেনের কারণে সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছেই। ফলে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যে সফল হওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম।