শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

অধিগ্রহণকৃত জমি লিজ দিয়ে চাষাবাদ, বিক্ষুব্ধ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার

#
news image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার তাদের জমি জমা অধিগ্রহণ করলে বাপ-দাদার হাতে গড়া পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। অথচ সেই জমি চাষাবাদের জন্য অন্যের কাছে লিজ দিয়েছে নৌবাহিনী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থরা। তাদের দাবী, সরকার লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তাদেরই প্রধান্য দেওয়া উচিত।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটির সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে ওই ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের প্রায় সকল জমি অধিগ্রহণের আওতায় পরেছে। সরকারের নোটিশ পেয়ে ঘড় বাড়ি, জমি-জমা ছেড়ে দিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু সেই জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছে এলাকাবাসী। অধিগ্রহণকৃত জমি সরকারের উন্নয়নের কাজে লাগানোর পরিবর্তে লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় তাদের প্রধান্য ও অগ্রাধিকার দেয়া উচিত এমনটাই দাবী করেন ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য জামাল হাওলাদার, সালাউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার ও শাহিন হাওলাদারসহ অনেকেই জানান, সরকারের উন্নয়নের কাজে একাত্ততা পোষণ করে শের-ই-বাংলা নৌঁঘাটির জন্য বাপ-দাদার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু নৌবাহিনী সেই জমি কৃষি কাজে চাষাবাদের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়েছে। নৌবাহিনী ওই জমি লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসেবে তারা সেই জমি নিতে চায়।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম এবিষয়ে বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমি যে কাউকে লিজ দেয়া যাবে। তবে, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা ওই জমি লিজ নিতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে তালিকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

এস কে রঞ্জন, কলাপাড়া, পটুয়াখালী

১৭ জুলাই, ২০২৪,  8:15 PM

news image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার তাদের জমি জমা অধিগ্রহণ করলে বাপ-দাদার হাতে গড়া পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। অথচ সেই জমি চাষাবাদের জন্য অন্যের কাছে লিজ দিয়েছে নৌবাহিনী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থরা। তাদের দাবী, সরকার লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তাদেরই প্রধান্য দেওয়া উচিত।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটির সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে ওই ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের প্রায় সকল জমি অধিগ্রহণের আওতায় পরেছে। সরকারের নোটিশ পেয়ে ঘড় বাড়ি, জমি-জমা ছেড়ে দিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু সেই জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছে এলাকাবাসী। অধিগ্রহণকৃত জমি সরকারের উন্নয়নের কাজে লাগানোর পরিবর্তে লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় তাদের প্রধান্য ও অগ্রাধিকার দেয়া উচিত এমনটাই দাবী করেন ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য জামাল হাওলাদার, সালাউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার ও শাহিন হাওলাদারসহ অনেকেই জানান, সরকারের উন্নয়নের কাজে একাত্ততা পোষণ করে শের-ই-বাংলা নৌঁঘাটির জন্য বাপ-দাদার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু নৌবাহিনী সেই জমি কৃষি কাজে চাষাবাদের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়েছে। নৌবাহিনী ওই জমি লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসেবে তারা সেই জমি নিতে চায়।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম এবিষয়ে বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমি যে কাউকে লিজ দেয়া যাবে। তবে, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা ওই জমি লিজ নিতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে তালিকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।