এপ্রিলে দেশের পণ্য রপ্তানি কমেছে ৪ কোটি ডলারের

#
news image

বাংলাদেশের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি আগের বছরের একই মাসের তুলনায় গত এপ্রিলে কম হয়েছে ৪ কোটি ডলারের। পোশাক খাতের রপ্তানি চালানের ধীরগতি এবং অন্যান্য প্রধান খাতের ধারাবাহিক মন্দা এর পেছনে মূল ভূমিকা রাখে। এপ্রিলে মোট ৩৯২ কোটি ডলারের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, আগের বছরের একই মাসে এটি ছিল ৩৯৬ কোটি ডলার। সেই হিসেবে কমেছে শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এপ্রিলে ৪৭১ কোটি ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।  চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানিতে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এ সময়ে মোট রপ্তানির মূল্য ৪ হাজার ৭৪৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা, যা ৫ হাজার ৯৭ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম হয়েছিল। রপ্তানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ঈদুল ফিতরের সময়ে কারখানাগুলোয় কার্যাদেশ কম এসেছে। দীর্ঘায়িত ছুটির কারণেও রপ্তানি চালানের সংখ্যা কমে যায়। এ কারণে পণ্যদ্রব্য রপ্তানি নিম্নমুখী হয়, তবে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে একে স্বাভাবিক ঘটনা বলেই উল্লেখ করেছেন।

নাগরিক প্রতিবেদন

০৩ মে, ২০২৪,  4:39 PM

news image

বাংলাদেশের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি আগের বছরের একই মাসের তুলনায় গত এপ্রিলে কম হয়েছে ৪ কোটি ডলারের। পোশাক খাতের রপ্তানি চালানের ধীরগতি এবং অন্যান্য প্রধান খাতের ধারাবাহিক মন্দা এর পেছনে মূল ভূমিকা রাখে। এপ্রিলে মোট ৩৯২ কোটি ডলারের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, আগের বছরের একই মাসে এটি ছিল ৩৯৬ কোটি ডলার। সেই হিসেবে কমেছে শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এপ্রিলে ৪৭১ কোটি ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।  চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানিতে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এ সময়ে মোট রপ্তানির মূল্য ৪ হাজার ৭৪৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা, যা ৫ হাজার ৯৭ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম হয়েছিল। রপ্তানিমুখী শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ঈদুল ফিতরের সময়ে কারখানাগুলোয় কার্যাদেশ কম এসেছে। দীর্ঘায়িত ছুটির কারণেও রপ্তানি চালানের সংখ্যা কমে যায়। এ কারণে পণ্যদ্রব্য রপ্তানি নিম্নমুখী হয়, তবে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে একে স্বাভাবিক ঘটনা বলেই উল্লেখ করেছেন।