যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে তিন জনকে জেল হাজতে প্রেরন
সাকির আমিন, ছাতক (সুনামগঞ্জ)
১৭ মে, ২০২৩, 8:32 PM
যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে তিন জনকে জেল হাজতে প্রেরন
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর শহরের মন্ডলী ভোগ মহল্লার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা লায়েক মিয়া হত্যার ঘটনায় সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে বুধবার সকালে হত্যা মামলার আসামি জামায়াত নেতা ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন, যুবলীগ নেতা সাদমান মাহমুদ সানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের ভাতিজা ইশতিয়াক রহমান তানভীর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক হেমায়েত উদ্দিন জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য পূর্ব বিরোধের জের ধরে মন্ডলী ভোগ লাল মসজিদ কমিটি গঠন কে কেন্দ্র করে গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় একই মহল্লার তাজউদ্দীনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস শিবলু অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে থানা ভবনের সামনে গনেশ পুর খেয়াঘাটে বসে থাকা লায়েক মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক গণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এঘটনায় শহর উত্তপ্ত হয়ে উটে।পরে নিহতের ভাই আজিজুল ইসলাম রুমন বাদি হয়ে ছাতক থানায় ১৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে এ মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে ৩ আসামিকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
সাকির আমিন, ছাতক (সুনামগঞ্জ)
১৭ মে, ২০২৩, 8:32 PM
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর শহরের মন্ডলী ভোগ মহল্লার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা লায়েক মিয়া হত্যার ঘটনায় সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে বুধবার সকালে হত্যা মামলার আসামি জামায়াত নেতা ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন, যুবলীগ নেতা সাদমান মাহমুদ সানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের ভাতিজা ইশতিয়াক রহমান তানভীর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক হেমায়েত উদ্দিন জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য পূর্ব বিরোধের জের ধরে মন্ডলী ভোগ লাল মসজিদ কমিটি গঠন কে কেন্দ্র করে গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় একই মহল্লার তাজউদ্দীনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস শিবলু অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে থানা ভবনের সামনে গনেশ পুর খেয়াঘাটে বসে থাকা লায়েক মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক গণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এঘটনায় শহর উত্তপ্ত হয়ে উটে।পরে নিহতের ভাই আজিজুল ইসলাম রুমন বাদি হয়ে ছাতক থানায় ১৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে এ মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে ৩ আসামিকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।