অত্যাধিক নির্যাতন ও ঘুষের টাকায় পকেট ভরায় দুই এসআই প্রত্যাহার

#
news image

সিরাজগঞ্জে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে চোখ বেঁধে নির্যাতন ও ৪০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানার সেই দুই উপ-পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) রাতে অভিযুক্ত দুই এসআই আবুল হোসেন ও শহিদুল ইসলাম শহিদকে থানা থেকে প্রত্যাহারের পর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

অভিযোগে জানা যায়, গত শনিবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এসআই আবুল হোসেন ও এসআই শহিদুল ইসলাম শহিদ দুজন কনস্টেবলকে সাথে নিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী লাভলু ইসলামের দোকানে যান। সেখানে স্থানীয় প্রায় ৪০-৫০ জন লোকের উপস্থিতিতে তার দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। কোনো কিছু না পেয়ে লাভলু ইসলামকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার উত্তরে মহিষামুড়া বাজারের পূর্বপাশের মহিলা মাদরাসার পেছনে নিয়ে আটকে রাখা হয়। তার কাছে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর লাভলুর চোখ বেঁধে রেখে আরো ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা।  

পরে নিরুপায় হয়ে লাভলু রতনকান্দি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ওসমান গনি ও আব্দুস সাত্তারকে ফোন দিয়ে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। ফোনের সূত্র ধরে রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পাঁচ-সাতজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে আরো ১০ হাজার টাকা পুলিশকে দিয়ে লাভলুকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ বিষয়ে সোমবার সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

মোঃ সৌরভ হোসাইন (সবুজ), সিরাজগঞ্জ

১৭ মে, ২০২৩,  6:06 PM

news image

সিরাজগঞ্জে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে চোখ বেঁধে নির্যাতন ও ৪০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানার সেই দুই উপ-পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) রাতে অভিযুক্ত দুই এসআই আবুল হোসেন ও শহিদুল ইসলাম শহিদকে থানা থেকে প্রত্যাহারের পর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

অভিযোগে জানা যায়, গত শনিবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এসআই আবুল হোসেন ও এসআই শহিদুল ইসলাম শহিদ দুজন কনস্টেবলকে সাথে নিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী লাভলু ইসলামের দোকানে যান। সেখানে স্থানীয় প্রায় ৪০-৫০ জন লোকের উপস্থিতিতে তার দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। কোনো কিছু না পেয়ে লাভলু ইসলামকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার উত্তরে মহিষামুড়া বাজারের পূর্বপাশের মহিলা মাদরাসার পেছনে নিয়ে আটকে রাখা হয়। তার কাছে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর লাভলুর চোখ বেঁধে রেখে আরো ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা।  

পরে নিরুপায় হয়ে লাভলু রতনকান্দি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ওসমান গনি ও আব্দুস সাত্তারকে ফোন দিয়ে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। ফোনের সূত্র ধরে রতনকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন পাঁচ-সাতজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে আরো ১০ হাজার টাকা পুলিশকে দিয়ে লাভলুকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ বিষয়ে সোমবার সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।