১০ মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৮২ হাজার কোটি টাকা

#
news image

চলতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমান বেড়ে গেছে। ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে এই পরিমান টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। 

অর্থবছর শেষ হওয়ার ২ মাস আগ পর্যন্ত ১০ মাসে সরকার ঋণ নিয়েছে ৮২ হাজার ৫৬ কোটি টাকা, যা বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৭৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। 

এ ঋণের মধ্যে ৭৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা। এর আগের মাস মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে সরকারের মোট নিট ব্যাংক ঋণ ছিল ৫২ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসময়ে নেওয়া মোট ঋণের মধ্যে গত এপ্রিলে নিয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরের ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের মধ্যে একক মাসে সর্বোচ্চ।

আগের ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিল ৩৪ হাজার ৯ কোটি টাকা।

সরকারের ঋণ বাড়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বলেন, ‘সরকারের ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ বাড়ে-আবার কমে যায়। প্রয়োজনে নিয়েছে, আবার সমন্বয় হয়ে যাবে।’

সরকারের ব্যাংক ঋণ অর্থবছরের শেষ দিকে এসে বাড়তে থাকার আগে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ফেব্রুয়ারিতে বিকল্প উৎস থেকে ঋণ নিতে পরামর্শ দিয়েছিল।

গত ফেব্রুয়ারি সরকারের ব্যাংক ঋণের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে সরকারের ব্যাংক ঋণ বেড়েছে। অন্যদিকে নন-ব্যাংক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার হার কমছে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমে আসায়। এ প্রবণতা মূল্যস্ফীতিকে বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছে।

নাগরিক প্রতিবেদক

১৬ মে, ২০২৩,  2:26 PM

news image

চলতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমান বেড়ে গেছে। ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে এই পরিমান টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। 

অর্থবছর শেষ হওয়ার ২ মাস আগ পর্যন্ত ১০ মাসে সরকার ঋণ নিয়েছে ৮২ হাজার ৫৬ কোটি টাকা, যা বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৭৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। 

এ ঋণের মধ্যে ৭৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা। এর আগের মাস মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে সরকারের মোট নিট ব্যাংক ঋণ ছিল ৫২ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসময়ে নেওয়া মোট ঋণের মধ্যে গত এপ্রিলে নিয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরের ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের মধ্যে একক মাসে সর্বোচ্চ।

আগের ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিল ৩৪ হাজার ৯ কোটি টাকা।

সরকারের ঋণ বাড়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বলেন, ‘সরকারের ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ বাড়ে-আবার কমে যায়। প্রয়োজনে নিয়েছে, আবার সমন্বয় হয়ে যাবে।’

সরকারের ব্যাংক ঋণ অর্থবছরের শেষ দিকে এসে বাড়তে থাকার আগে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ফেব্রুয়ারিতে বিকল্প উৎস থেকে ঋণ নিতে পরামর্শ দিয়েছিল।

গত ফেব্রুয়ারি সরকারের ব্যাংক ঋণের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে সরকারের ব্যাংক ঋণ বেড়েছে। অন্যদিকে নন-ব্যাংক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার হার কমছে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমে আসায়। এ প্রবণতা মূল্যস্ফীতিকে বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছে।