পঞ্চগড়ে  স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় পুলিশ সদস্য জেলহাজতে

#
news image

পঞ্চগড়ে বহুল আলোচিত পুলিশ সদস্য মোঃ রাজু আহম্মেদ (২৪) পিতা মৃত. আব্দুল গনি স্থীয় ঠিকানা গ্রাম দর্জিপাড়া ডাকঘর তেতুলিয়া উপজেলা তেতুলিয়া জেলা পঞ্চগড়। গত ০৪/০৪/২০১৯ সালে পারিবারিক সম্মতিক্রমে রেজিষ্ট্রিকাবীন মুলে বিবাহ হয় মোছাঃ সাইদি জাহান পপি (২৪) পিতা মোঃ সাইফুল আলম গ্রাম আমতলা কাজীপাড়া উপজেলা বোদা জেলা পঞ্চগড় সাথে। বিবাহের সময় নালিশকারীর পিতা মোঃ সাইফুল আলম তার মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণলংকার দুই লক্ষ টাকার উপহার সামগ্রী দিয়ে বিবাহ দেন।

বিবাহের কিছুদিনের মধ্যে পপির ভাগ্যে নেমে আসে সুখের পরিবর্তে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। তবুও সংসার টিকে রাখতে স্বামীর শত শারীরিক মানসিক নির্যাতন সহ্য করে ১টি কন্যা সন্তান রাওনাফ এর জন্ম হয়। কন্যা সন্তানটির কথা চিন্তা করে শত আঘাত নির্যাতন সহ্য করে সংসার করা সাইদি জাহান পপি যৌতুকের দাবীর মুখে পড়েন। পপি তার পিতার নিকট যৌতুক টাকার বিষয়টি অবগত করলে তার পিতা মোঃ সাইফুল আলম জানায় মেয়ের সুখের জন্য বিবাহের সময় বাড়ীর জমি দোকান হালের গরু বিক্রি করে যৌতুক দিয়েছি। হঠাৎ করে আমার পক্ষে আট লক্ষ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।

শারীরিক ও মানসিক মার পিট নিয়ে একাধিক বার স্থানীয়ভাবে আপোষ বৈঠক হয়। ঘটনার দিন পপিকে ঘরে অবরুদ্ধকরে দরজা তালা বন্ধ করে রাখে যৌতুক দাবী করে মারপিট করে জখম করে মাথায় আঘাত করে স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় পপিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। সুস্থ্য হয়ে পঞ্চগড় আদালতে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন মোছাঃ সাইদি জাহান পপি।

মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মোঃ রাজু আহম্মেদ হাই কোট বিভাগে ফৌজদারী বিবিধ মামলায় কয়েক সপ্তাহের অন্তবতী কালীন জামিনে মুক্তি লাভ করেন। আসামী একজন পুলিশ সদস্য হওয়ার সত্বেও তার বিভাগের থানা পুলিশ মামলাটি সত্যতা প্রমান পেয়েছে।

আসামী পুলিশ সদস্য হওয়ার সত্বেও তার কৃতকর্ম ন্যায় ও আইন সঙ্গত নয় মর্মে আদালত আসামীকে গত ২৭/০৪/২০২৩ অন্তবর্তী কালীন হাজতি পরোয়ানামুলে জেলা কারাগারে প্রেরন করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পঞ্চগড় বিচারক বি এম তারিকুল কবীর। আসামী পুলিশ সদস্য এখনো জেল হাজতে রয়েছে।

 

জেলা সংবাদদাতা

১৩ মে, ২০২৩,  3:33 PM

news image

পঞ্চগড়ে বহুল আলোচিত পুলিশ সদস্য মোঃ রাজু আহম্মেদ (২৪) পিতা মৃত. আব্দুল গনি স্থীয় ঠিকানা গ্রাম দর্জিপাড়া ডাকঘর তেতুলিয়া উপজেলা তেতুলিয়া জেলা পঞ্চগড়। গত ০৪/০৪/২০১৯ সালে পারিবারিক সম্মতিক্রমে রেজিষ্ট্রিকাবীন মুলে বিবাহ হয় মোছাঃ সাইদি জাহান পপি (২৪) পিতা মোঃ সাইফুল আলম গ্রাম আমতলা কাজীপাড়া উপজেলা বোদা জেলা পঞ্চগড় সাথে। বিবাহের সময় নালিশকারীর পিতা মোঃ সাইফুল আলম তার মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণলংকার দুই লক্ষ টাকার উপহার সামগ্রী দিয়ে বিবাহ দেন।

বিবাহের কিছুদিনের মধ্যে পপির ভাগ্যে নেমে আসে সুখের পরিবর্তে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। তবুও সংসার টিকে রাখতে স্বামীর শত শারীরিক মানসিক নির্যাতন সহ্য করে ১টি কন্যা সন্তান রাওনাফ এর জন্ম হয়। কন্যা সন্তানটির কথা চিন্তা করে শত আঘাত নির্যাতন সহ্য করে সংসার করা সাইদি জাহান পপি যৌতুকের দাবীর মুখে পড়েন। পপি তার পিতার নিকট যৌতুক টাকার বিষয়টি অবগত করলে তার পিতা মোঃ সাইফুল আলম জানায় মেয়ের সুখের জন্য বিবাহের সময় বাড়ীর জমি দোকান হালের গরু বিক্রি করে যৌতুক দিয়েছি। হঠাৎ করে আমার পক্ষে আট লক্ষ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।

শারীরিক ও মানসিক মার পিট নিয়ে একাধিক বার স্থানীয়ভাবে আপোষ বৈঠক হয়। ঘটনার দিন পপিকে ঘরে অবরুদ্ধকরে দরজা তালা বন্ধ করে রাখে যৌতুক দাবী করে মারপিট করে জখম করে মাথায় আঘাত করে স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় পপিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান। সুস্থ্য হয়ে পঞ্চগড় আদালতে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন মোছাঃ সাইদি জাহান পপি।

মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মোঃ রাজু আহম্মেদ হাই কোট বিভাগে ফৌজদারী বিবিধ মামলায় কয়েক সপ্তাহের অন্তবতী কালীন জামিনে মুক্তি লাভ করেন। আসামী একজন পুলিশ সদস্য হওয়ার সত্বেও তার বিভাগের থানা পুলিশ মামলাটি সত্যতা প্রমান পেয়েছে।

আসামী পুলিশ সদস্য হওয়ার সত্বেও তার কৃতকর্ম ন্যায় ও আইন সঙ্গত নয় মর্মে আদালত আসামীকে গত ২৭/০৪/২০২৩ অন্তবর্তী কালীন হাজতি পরোয়ানামুলে জেলা কারাগারে প্রেরন করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পঞ্চগড় বিচারক বি এম তারিকুল কবীর। আসামী পুলিশ সদস্য এখনো জেল হাজতে রয়েছে।