বারহাট্রায় এসএসসি পরীক্ষার্থী মুক্তি হত্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার

#
news image

নেত্রকোণা বারহাট্টা উপজেলা প্রেম নগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী মুক্তি রানী বর্মন হত্যার প্রধান আসামী কে গ্রেফতার করেছে নেত্রকোণা ডিবি পুলিশ। আসামীর নাম কাউছার মিয়া (১৮) সে ছালিপুরা কোনাপাড়া গ্রামের শামছু মিয়ার ছোট ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ মে বুধবার দুপুর ২ ঘটিকায় শামছু মিয়ার বাড়ির পিছনের একটি জঙ্গল থেকে কাউছার কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মুক্তি রানী উপজেলা বাউসী ইউনিয়ন এর ছালিপুরা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মনের মেয়ে । সে প্রেম নগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

গত ২ মে মঙ্গলবার দুপুর ১ ঘটিকায় প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে যাওয়ার সময় একেই গ্রামের শামছু মিয়ার ছোট ছেলে, মোঃ কাউছার মিয়া (১৮) রাস্তায় দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে মুক্তি রানী কে গুরুতর আহত করে। আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মেয়েটিকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন ।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বিকাল ৫ ঘটিকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আজ বুধবার নিহত মুক্তি রানী বর্মনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তার বড় ভাই লিটন বর্মন।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

০৩ মে, ২০২৩,  6:48 PM

news image

নেত্রকোণা বারহাট্টা উপজেলা প্রেম নগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী মুক্তি রানী বর্মন হত্যার প্রধান আসামী কে গ্রেফতার করেছে নেত্রকোণা ডিবি পুলিশ। আসামীর নাম কাউছার মিয়া (১৮) সে ছালিপুরা কোনাপাড়া গ্রামের শামছু মিয়ার ছোট ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ মে বুধবার দুপুর ২ ঘটিকায় শামছু মিয়ার বাড়ির পিছনের একটি জঙ্গল থেকে কাউছার কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মুক্তি রানী উপজেলা বাউসী ইউনিয়ন এর ছালিপুরা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মনের মেয়ে । সে প্রেম নগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

গত ২ মে মঙ্গলবার দুপুর ১ ঘটিকায় প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে যাওয়ার সময় একেই গ্রামের শামছু মিয়ার ছোট ছেলে, মোঃ কাউছার মিয়া (১৮) রাস্তায় দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে মুক্তি রানী কে গুরুতর আহত করে। আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মেয়েটিকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন ।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বিকাল ৫ ঘটিকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আজ বুধবার নিহত মুক্তি রানী বর্মনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তার বড় ভাই লিটন বর্মন।