জেলা কমিটির অবহেলায় ধ্বংসের মূখে পত্নীতলায় ছাত্রদলের রাজনীতি

#
news image

নওগাঁর পত্নীতলায় ধ্বংসের মূখে এসে দাঁড়িয়েছে ছাত্রদলের রাজনীতি। এর জন্য উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দায়ি করছে জেলা কমিটি কে।

পত্নীতলা উপজেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির মেয়াদ শেষ হবার পর ২০২০ সালের পহেলা জানুয়ারী মো: ফরিদুল ইসলাম কে আহবায়ক ও মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস কে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয় আহবায়ক কমিটি।  যে কমিটির মেয়াদ ছিলো মাত্র দুই মাস। দুই মাসের মধ্যে উক্ত কমিটির অধীনস্থ সকল ইউনিট গঠন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নির্দেশনা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় তিন বছর ধরে আহবায়ক কমিটি বহাল রাখারও অভিযোগ উঠেছে জেলা কমিটির বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকশর্তে বলেন, অনেক আগেই আমাদের পত্নীতলা উপজেলাতে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হতো। কিন্তু আমাদের আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস সাংগঠনিক সকল কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকায় আজ আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারিনি। এ বিষয়টি নিয়ে জেলা কমিটি এক এক করে তিন বার সদস্য সচিব কে কারণদর্শানো নোটিশ দিয়েছে। কিন্তু তাদের নোটিশের কোন সদ-উত্তর দিতে পারেনি। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী সদস্য সচিব মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক চুড়ান্ত ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবেনা এই মর্মে  কারণ দর্শানো হয়। এতেও কোন সদ-উত্তর দেয়নি বলে জানা গেছে। আজ যদি জেলা কমিটি শক্ত অবস্থানে থাকতো তাহলে আমাদের পত্নীতলা উপজেলা ছাত্রদল রাজনৈতিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারতো।

এবিষয়ে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: রুবেল হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে উপস্থিত না থাকায় পত্নীতলা উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব কে একাধিকবার কারণদর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি কোন উত্তর দেয়নি। আমাদের উপর যখন চাপ আসলো মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস কে সদস্য সচিব করা হোক। তখন আমরা ওনার সর্ম্পকে খোঁজ খবর নিয়ে দেখি ওনি সাংগঠনিক ছেলে নয়। তবুও স্থানীয় সাবেক এমপি শামসুজ্জোহা খান আমাদের উপর প্রভাব খাঁটিয়ে সেকেন্দার আলী বিশ্বাসসহ একাধিক অযোগ্য ব্যক্তিদের এই কমিটিতে এনেছে। যার ফলে আজ এই কমিটির এই অবস্থা।

জামিল আহম্মেদ, পত্নীতলা ( নওগাঁ )

০২ মে, ২০২৩,  9:53 PM

news image

নওগাঁর পত্নীতলায় ধ্বংসের মূখে এসে দাঁড়িয়েছে ছাত্রদলের রাজনীতি। এর জন্য উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দায়ি করছে জেলা কমিটি কে।

পত্নীতলা উপজেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির মেয়াদ শেষ হবার পর ২০২০ সালের পহেলা জানুয়ারী মো: ফরিদুল ইসলাম কে আহবায়ক ও মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস কে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয় আহবায়ক কমিটি।  যে কমিটির মেয়াদ ছিলো মাত্র দুই মাস। দুই মাসের মধ্যে উক্ত কমিটির অধীনস্থ সকল ইউনিট গঠন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই নির্দেশনা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় তিন বছর ধরে আহবায়ক কমিটি বহাল রাখারও অভিযোগ উঠেছে জেলা কমিটির বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকশর্তে বলেন, অনেক আগেই আমাদের পত্নীতলা উপজেলাতে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হতো। কিন্তু আমাদের আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস সাংগঠনিক সকল কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকায় আজ আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারিনি। এ বিষয়টি নিয়ে জেলা কমিটি এক এক করে তিন বার সদস্য সচিব কে কারণদর্শানো নোটিশ দিয়েছে। কিন্তু তাদের নোটিশের কোন সদ-উত্তর দিতে পারেনি। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী সদস্য সচিব মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক চুড়ান্ত ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবেনা এই মর্মে  কারণ দর্শানো হয়। এতেও কোন সদ-উত্তর দেয়নি বলে জানা গেছে। আজ যদি জেলা কমিটি শক্ত অবস্থানে থাকতো তাহলে আমাদের পত্নীতলা উপজেলা ছাত্রদল রাজনৈতিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারতো।

এবিষয়ে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: রুবেল হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে উপস্থিত না থাকায় পত্নীতলা উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব কে একাধিকবার কারণদর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি কোন উত্তর দেয়নি। আমাদের উপর যখন চাপ আসলো মো: সেকেন্দার আলী বিশ্বাস কে সদস্য সচিব করা হোক। তখন আমরা ওনার সর্ম্পকে খোঁজ খবর নিয়ে দেখি ওনি সাংগঠনিক ছেলে নয়। তবুও স্থানীয় সাবেক এমপি শামসুজ্জোহা খান আমাদের উপর প্রভাব খাঁটিয়ে সেকেন্দার আলী বিশ্বাসসহ একাধিক অযোগ্য ব্যক্তিদের এই কমিটিতে এনেছে। যার ফলে আজ এই কমিটির এই অবস্থা।