নির্যাতন না করার শর্তে আদালত থেকে জামিন নিয়ে এখন মামলা তুলে নিতে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রাননাশের হুমকি
অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ
৩০ এপ্রিল, ২০২৩, 8:44 PM
নির্যাতন না করার শর্তে আদালত থেকে জামিন নিয়ে এখন মামলা তুলে নিতে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রাননাশের হুমকি
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় যৌতুৃকের টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা দায়ের। গত ২৬জানুয়ারী স্ত্রী রেশমা বেগম বাদি হয়ে স্বামী হাফিজ কারী মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনকে আসামী করে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালত শান্তিগঞ্জ জোনে মামলাটি দায়ের করেন,যার সি,আর মামলা নং-১৩/২০২৩ শান্তিগঞ্জ।
মামলার বাদি মোছাঃ রেশমা বেগম শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাওঁ ইউনিয়নের টাইলা গ্রামের সমুজ আলীর মেয়ে। অভিযোগ সূগ্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৫জুন মোছাঃ রেশমা বেগমের সাথে পাশর্^বতী দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়াপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোয়ারগাঁও ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের সাথে দুইলাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহি সম্পন্ন হয়।
তাছাড়া মালামাল ও আসবাবপত্র সাথে করে দেয়া হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী মাওলানা বুরহান উদ্দিনের কর্মস্থল মাদ্রাসা এলাকায় অনেক ছাত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং তার আসল চরিত্র স্ত্রী মোছাঃ রেশমার চোখে পড়তে থাকে। তিনি প্রতিবাদ করলে লম্পট ও যৌতুক স্বামী ও তার মা বুরহানের আপন ছোটভাইকে ইটালী পাঠানোর বাহানা করে গত ২৫ নভেম্বর ২০২২ইং তারিখে স্ত্রী রেশমাকে টাইলা পিতার বাড়ি হতে দুই লাখ টাকা আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু গরীব পিতার বাড়ি হতে যৌতুকের টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী,শ^াশুড়ি মিলে রেশমাকে শারীরিক নির্যাতন ও মারপিঠ করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
পরবর্তীতে রেশমা দীর্ঘদিন ধরে পিতার বাড়িতে অবস্থান করলে ও ওয়াসঅ্যাপে কিংবা ফেইসবুকের ম্যাসেঞ্জারে বুরহানের কর্মস্থলে থেকে মাদ্রাসার ছাত্রীদের সাথে তোলা যৌথ ছবি এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালের ছবি পোষ্ট করে। স্বামী বুরহান উদ্দিন অন্যত্র বিয়ে করবে বলের জানিয়ে দেয়। ২৬ ফেব্রুয়ারী অস্থায়ী জামিন নিলে ও গত চলতি মাসের ২৫ এপ্রিল যৌতুক মামলায় আসামী বুরহান উদ্দিন তার স্ত্রী রেশমা বেগমের উপর শারীরিক নির্যাতন আর না করার শর্তে আদালতে হাজির হয়ে আপোষ শর্তে স্থায়ী জামিন নিয়ে এখন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রেশমাকে না নিতে টালবাহানা শুরু করে এবং লোক মারফতে স্ত্রী রেশমাকে তালাক দেওয়ার কৌশল অবলম্বনের পাশাপাশি তালাকে রাজি না হলে এবং মামলা তুলে না নিলে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। মামলার বিবাদি হাফিজ মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোয়ারগাঁও ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন বলে মামলার বাদি রেশমা বেগম জানান।
মামলার বাদি মোছাঃ রেশমা বেগম স্বামীকে দু’চরিত্র লম্পট এবং তার কর্মস্থলে মাদ্রাসার অনেক ছাত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে আমাকে মারপিঠ করে। এখন যৌতুকের টাকা এনে না দিলে এবং আপোষ মতো মামলা তুলে না নিলে আমাকে লোক মারফরতে প্রাণে মারার হুমকি দামকী দিচ্ছে বলে তিনি সংবাদকর্মীদের জানান। কিন্তু তার স্বামী লম্পট মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। মামলার আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ
৩০ এপ্রিল, ২০২৩, 8:44 PM
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় যৌতুৃকের টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা দায়ের। গত ২৬জানুয়ারী স্ত্রী রেশমা বেগম বাদি হয়ে স্বামী হাফিজ কারী মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনকে আসামী করে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালত শান্তিগঞ্জ জোনে মামলাটি দায়ের করেন,যার সি,আর মামলা নং-১৩/২০২৩ শান্তিগঞ্জ।
মামলার বাদি মোছাঃ রেশমা বেগম শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাওঁ ইউনিয়নের টাইলা গ্রামের সমুজ আলীর মেয়ে। অভিযোগ সূগ্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৫জুন মোছাঃ রেশমা বেগমের সাথে পাশর্^বতী দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়াপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোয়ারগাঁও ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের সাথে দুইলাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহি সম্পন্ন হয়।
তাছাড়া মালামাল ও আসবাবপত্র সাথে করে দেয়া হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী মাওলানা বুরহান উদ্দিনের কর্মস্থল মাদ্রাসা এলাকায় অনেক ছাত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং তার আসল চরিত্র স্ত্রী মোছাঃ রেশমার চোখে পড়তে থাকে। তিনি প্রতিবাদ করলে লম্পট ও যৌতুক স্বামী ও তার মা বুরহানের আপন ছোটভাইকে ইটালী পাঠানোর বাহানা করে গত ২৫ নভেম্বর ২০২২ইং তারিখে স্ত্রী রেশমাকে টাইলা পিতার বাড়ি হতে দুই লাখ টাকা আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু গরীব পিতার বাড়ি হতে যৌতুকের টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী,শ^াশুড়ি মিলে রেশমাকে শারীরিক নির্যাতন ও মারপিঠ করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
পরবর্তীতে রেশমা দীর্ঘদিন ধরে পিতার বাড়িতে অবস্থান করলে ও ওয়াসঅ্যাপে কিংবা ফেইসবুকের ম্যাসেঞ্জারে বুরহানের কর্মস্থলে থেকে মাদ্রাসার ছাত্রীদের সাথে তোলা যৌথ ছবি এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালের ছবি পোষ্ট করে। স্বামী বুরহান উদ্দিন অন্যত্র বিয়ে করবে বলের জানিয়ে দেয়। ২৬ ফেব্রুয়ারী অস্থায়ী জামিন নিলে ও গত চলতি মাসের ২৫ এপ্রিল যৌতুক মামলায় আসামী বুরহান উদ্দিন তার স্ত্রী রেশমা বেগমের উপর শারীরিক নির্যাতন আর না করার শর্তে আদালতে হাজির হয়ে আপোষ শর্তে স্থায়ী জামিন নিয়ে এখন আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রেশমাকে না নিতে টালবাহানা শুরু করে এবং লোক মারফতে স্ত্রী রেশমাকে তালাক দেওয়ার কৌশল অবলম্বনের পাশাপাশি তালাকে রাজি না হলে এবং মামলা তুলে না নিলে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। মামলার বিবাদি হাফিজ মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোয়ারগাঁও ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন বলে মামলার বাদি রেশমা বেগম জানান।
মামলার বাদি মোছাঃ রেশমা বেগম স্বামীকে দু’চরিত্র লম্পট এবং তার কর্মস্থলে মাদ্রাসার অনেক ছাত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে আমাকে মারপিঠ করে। এখন যৌতুকের টাকা এনে না দিলে এবং আপোষ মতো মামলা তুলে না নিলে আমাকে লোক মারফরতে প্রাণে মারার হুমকি দামকী দিচ্ছে বলে তিনি সংবাদকর্মীদের জানান। কিন্তু তার স্বামী লম্পট মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। মামলার আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজ(কারী) মাওলানা মো. বুরহান উদ্দিনের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।