কাশিয়ানীতে ‘ঈদের দিনেই সংঘর্ষ ,আহত ১৫
এম এ জামান কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ)
২২ এপ্রিল, ২০২৩, 9:25 PM
কাশিয়ানীতে ‘ঈদের দিনেই সংঘর্ষ ,আহত ১৫
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ঈদের নামাজ শেষে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী-পুরুষ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা কাশিয়ানী উপজেলার ১শত শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
সংঘর্ষের ঘটনা শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর গ্রামে ঘটেছে।
কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনা বিবরণীর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রমতে , পূর্বশত্রুতার জের ধরে ওই গ্রামের মোল্যা ও শিকদার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে ঈদের নামাজের পর শফিকুল ইসলাম মোল্যা ও রাজু শিকদারের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদা ও টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষ ও এসএসসি পরীক্ষাসহ উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়।
আহতদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম, সেলিম মোল্যা, ইকরাম মোল্যা, মাহফুজ আহমেদ, নয়ন মোল্যা, মুরসালিন, সাইফুল, লিপি বেগম, সানজিদা আক্তার, হাকিম শিকদার, লিসান শিকদার, শরিফুল ইসলাম ও মাসুম শিকদারকে হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই বংশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। আর এলাকার পরিস্থিতিও এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
এম এ জামান কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ)
২২ এপ্রিল, ২০২৩, 9:25 PM
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ঈদের নামাজ শেষে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী-পুরুষ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা কাশিয়ানী উপজেলার ১শত শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
সংঘর্ষের ঘটনা শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর গ্রামে ঘটেছে।
কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনা বিবরণীর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রমতে , পূর্বশত্রুতার জের ধরে ওই গ্রামের মোল্যা ও শিকদার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে ঈদের নামাজের পর শফিকুল ইসলাম মোল্যা ও রাজু শিকদারের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদা ও টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে নারী-পুরুষ ও এসএসসি পরীক্ষাসহ উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা যায়।
আহতদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম, সেলিম মোল্যা, ইকরাম মোল্যা, মাহফুজ আহমেদ, নয়ন মোল্যা, মুরসালিন, সাইফুল, লিপি বেগম, সানজিদা আক্তার, হাকিম শিকদার, লিসান শিকদার, শরিফুল ইসলাম ও মাসুম শিকদারকে হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই বংশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। আর এলাকার পরিস্থিতিও এখন স্বাভাবিক রয়েছে।