নান্দাইলে বেহাল তিন রাস্তার দুর্ভোগে অতিষ্ঠ জনসাধারন
মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল
২০ এপ্রিল, ২০২৩, 10:56 PM
নান্দাইলে বেহাল তিন রাস্তার দুর্ভোগে অতিষ্ঠ জনসাধারন
ময়নসিংহের নান্দাইলে জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটির রাস্তার বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। বেহাল এ তিন রাস্তার দূর্ভোগে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ওইসব রাস্তায় চলাচলকারী জনসাধারন। এ অবস্থা থেকে অদৌ পরিত্রান হবে কি না ? জানেন না সাধারন জনগণ।
সরজমিনে দেখা গেছে, মুশুলী চৌরাস্তা-কালিগঞ্জ বাজার, নান্দাইল-আঠারোবাড়ি সড়ক ও মুশুলী চৌরাস্তা-সিংরইল সড়ক তিনটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তন্মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ মুশুলী চৌরাস্তা টু কালিগঞ্জ বাজার ৫ কিলোমিটার সড়কে যেন দুর্ভোগের শেষ নেই। কর্তৃপক্ষের বারবার আশ্বাসেও মেরামত বা পুননির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাচ্ছে না চলাচলকারী লোকজন। নান্দাইল উপজেলার প্রধান ব্যবসাকেন্দ্র কালীগঞ্জ বাজার। এর আশপাশে রয়েছে ব্যাংকসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ সড়কপথেই কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় যাতায়াত করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ভাঙাচোরা। অথচ মেরামত করা হচ্ছে না। তবে মাঝে মধ্যে ইটের সুড়কী ফেলে রাস্তার গর্ত ভরাট করে চলাচলের উপযোগী কওে তুলার কিছু দিন পরই আবার বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মুশুলী চৌরাস্তা থেকে সিংরইল বাজার পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়কের ইট বিছানো দেড় কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের কারণ। ১৯৯৭ সালে ইট বিছিয়ে সড়কটি তৈরি করা হয়। এর পশ্চিম দিকে সিংরইল বাজার থেকে কামালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার অংশের ইট তুলে কয়েক বছর আগে পাকাকরণ হয়।
তবে পূর্ব দিকের দেড় কিলোমিটার সড়ক আজও সংস্কারের আওতায় আসেনি। অপরদিকে দুর্ভোগের আরেকটি সড়ক নান্দাইল সদর থেকে আঠারোবাড়ি পাঁচ কিলোমিটার। নান্দাইল উপজেলা সদরসহ পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলা শহর, কেন্দুয়া ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লার ভেতর দিয়ে কবিরপুর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিও দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য।
বিশেষ করে পৌর শহর থেকে চণ্ডীপাশা চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। সুরকি উঠে গিয়ে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। একটু বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে। স্থানীয়দের দাবি, সড়ক তিনটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে।
উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী শাহাবো রহমান সজীব বলেন, তিনটি সড়কেরই ইস্টিমেট (প্রাক্কলন) করে পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুতই কাজ শুরু করতে পারবো।
মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল
২০ এপ্রিল, ২০২৩, 10:56 PM
ময়নসিংহের নান্দাইলে জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটির রাস্তার বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। বেহাল এ তিন রাস্তার দূর্ভোগে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ওইসব রাস্তায় চলাচলকারী জনসাধারন। এ অবস্থা থেকে অদৌ পরিত্রান হবে কি না ? জানেন না সাধারন জনগণ।
সরজমিনে দেখা গেছে, মুশুলী চৌরাস্তা-কালিগঞ্জ বাজার, নান্দাইল-আঠারোবাড়ি সড়ক ও মুশুলী চৌরাস্তা-সিংরইল সড়ক তিনটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তন্মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ মুশুলী চৌরাস্তা টু কালিগঞ্জ বাজার ৫ কিলোমিটার সড়কে যেন দুর্ভোগের শেষ নেই। কর্তৃপক্ষের বারবার আশ্বাসেও মেরামত বা পুননির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাচ্ছে না চলাচলকারী লোকজন। নান্দাইল উপজেলার প্রধান ব্যবসাকেন্দ্র কালীগঞ্জ বাজার। এর আশপাশে রয়েছে ব্যাংকসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ সড়কপথেই কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় যাতায়াত করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি ভাঙাচোরা। অথচ মেরামত করা হচ্ছে না। তবে মাঝে মধ্যে ইটের সুড়কী ফেলে রাস্তার গর্ত ভরাট করে চলাচলের উপযোগী কওে তুলার কিছু দিন পরই আবার বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এছাড়া মুশুলী চৌরাস্তা থেকে সিংরইল বাজার পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়কের ইট বিছানো দেড় কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের কারণ। ১৯৯৭ সালে ইট বিছিয়ে সড়কটি তৈরি করা হয়। এর পশ্চিম দিকে সিংরইল বাজার থেকে কামালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার অংশের ইট তুলে কয়েক বছর আগে পাকাকরণ হয়।
তবে পূর্ব দিকের দেড় কিলোমিটার সড়ক আজও সংস্কারের আওতায় আসেনি। অপরদিকে দুর্ভোগের আরেকটি সড়ক নান্দাইল সদর থেকে আঠারোবাড়ি পাঁচ কিলোমিটার। নান্দাইল উপজেলা সদরসহ পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলা শহর, কেন্দুয়া ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। পৌরসভার চণ্ডীপাশা মহল্লার ভেতর দিয়ে কবিরপুর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিও দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য।
বিশেষ করে পৌর শহর থেকে চণ্ডীপাশা চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। সুরকি উঠে গিয়ে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। একটু বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে। স্থানীয়দের দাবি, সড়ক তিনটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে।
উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী শাহাবো রহমান সজীব বলেন, তিনটি সড়কেরই ইস্টিমেট (প্রাক্কলন) করে পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুতই কাজ শুরু করতে পারবো।