মহেশপুরে চেয়ারম্যান জিন্টুর বিরুদ্ধে দূর্ণীতির অভিযোগ এনে সকল সদস্যদের অনাস্থা
হোসাইন আহম্মেদ, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
১৮ এপ্রিল, ২০২৩, 7:31 PM
মহেশপুরে চেয়ারম্যান জিন্টুর বিরুদ্ধে দূর্ণীতির অভিযোগ এনে সকল সদস্যদের অনাস্থা
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৮নং বাঁশবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে সু-নির্দিষ্ট ২০টি দূর্ণীতির অভিযোগ এনে সকল ইউপি সদস্যগন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, অত্র ইউনিয়ন পরিষদের ১২জন ইউপি সদস্য অভিযোগ এনে বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব প্রতি মাসের মাসিক সভার কার্য বিবরণী পরবর্তী সভার পূর্বে দেন না। নোটিশের আলোচ্য সূচীর সাথে রেজুলেশনের সিদ্ধান্তের কোন মিল থাকে না। পরিষদের আলোচিত ও সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত প্রকল্প গ্রহন না করে নিজের খেয়াল খুশি মত প্রকল্প করেন। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কর্তৃক দাখিলকৃত প্রকল্প গ্রহন না করে ভূয়া প্রকল্প তৈরী করে অর্থ আত্মসাত। সরকারি বা উপজেলা পর্যায়ে কোন বরাদ্দ পাওয়া গেলে পরিষদে আলোচনা না করে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেন। প্রকল্প কমিটির মিটিং রেজুলেশন না করেই তাদের স্বাক্ষর জাল করে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত।
২০২১-২০২২ ও ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে জমি হস্তান্তরের ১% টাকা ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে ৩২লাখ ৫০হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। এ ধরণের এডিপি,টিআর/কাবিখা প্রকল্পের হিসাব মিলছে না তাদের। তিনি নিজের ইচ্ছা মত জাল-জুয়াচুরি করে টাকা আত্মসাত করায় সদস্যগন এই অনাস্তা প্রস্তাব দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে মেম্বার নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা লিখিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগ,সচিব,খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে এলাকার অনেক দুঃস্থ পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে। তারা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর এ সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।
হোসাইন আহম্মেদ, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
১৮ এপ্রিল, ২০২৩, 7:31 PM
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৮নং বাঁশবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে সু-নির্দিষ্ট ২০টি দূর্ণীতির অভিযোগ এনে সকল ইউপি সদস্যগন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, অত্র ইউনিয়ন পরিষদের ১২জন ইউপি সদস্য অভিযোগ এনে বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব প্রতি মাসের মাসিক সভার কার্য বিবরণী পরবর্তী সভার পূর্বে দেন না। নোটিশের আলোচ্য সূচীর সাথে রেজুলেশনের সিদ্ধান্তের কোন মিল থাকে না। পরিষদের আলোচিত ও সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত প্রকল্প গ্রহন না করে নিজের খেয়াল খুশি মত প্রকল্প করেন। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কর্তৃক দাখিলকৃত প্রকল্প গ্রহন না করে ভূয়া প্রকল্প তৈরী করে অর্থ আত্মসাত। সরকারি বা উপজেলা পর্যায়ে কোন বরাদ্দ পাওয়া গেলে পরিষদে আলোচনা না করে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেন। প্রকল্প কমিটির মিটিং রেজুলেশন না করেই তাদের স্বাক্ষর জাল করে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত।
২০২১-২০২২ ও ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে জমি হস্তান্তরের ১% টাকা ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে ৩২লাখ ৫০হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। এ ধরণের এডিপি,টিআর/কাবিখা প্রকল্পের হিসাব মিলছে না তাদের। তিনি নিজের ইচ্ছা মত জাল-জুয়াচুরি করে টাকা আত্মসাত করায় সদস্যগন এই অনাস্তা প্রস্তাব দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে মেম্বার নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা লিখিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগ,সচিব,খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে এলাকার অনেক দুঃস্থ পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে। তারা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর এ সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।