দুর্গাপুর পাহাড়ি সীমান্তে আবারো বেড়েছে বন্য হাতির তান্ডব 

#
news image

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ভবানীপুর গ্রামে ফসলি জমিতে তাণ্ডব চালাচ্ছে বন্য হাতির দল। । এতে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি চরম আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর। এ পর্যন্ত প্রায় ১.৫ একরের বেশি ধানের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান। এরইমধ্যে ফসল বাঁচাতে হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রমণে এক কৃষক আহত হয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,গত ৪দিন ধরে বন্য হাতির একটি দল অবস্থান করছে ভারতীয় সীমান্তঘেষা ফারংপাড়া-ভবানীপুর পাহাড়ি অঞ্চলে।

স্থানীয়রা জানান, হাতি গুলোর প্রধান আবাসস্থল সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে। প্রচন্ড খরায় পাহাড়ে পানি ও খাদ্যের সংকট দেখা দিলে হাতিগুলো খাদ্যের সন্ধানে নিম্নভূমিতে নেমে আসে। গত কয়েক বছর ধরেই হাতিগুলো ভারতীয় সীমান্ত পার হয়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। কিছুদিন  আগেও বন্য হাতি দলবেঁধে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে ঢুকে ফসল ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করেছে এবং হাতির আক্রমণে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ফসলি জমিতে বন্য হাতির দল তান্ডবের খবরে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারঃ) মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম,একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারঃ)মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, হাতিগুলো বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। হাতিগুলো থেকে সতর্ক থাকতে স্থানীয়দের বলা হয়েছে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

১৪ এপ্রিল, ২০২৩,  7:57 PM

news image

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ভবানীপুর গ্রামে ফসলি জমিতে তাণ্ডব চালাচ্ছে বন্য হাতির দল। । এতে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি চরম আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর। এ পর্যন্ত প্রায় ১.৫ একরের বেশি ধানের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান। এরইমধ্যে ফসল বাঁচাতে হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রমণে এক কৃষক আহত হয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,গত ৪দিন ধরে বন্য হাতির একটি দল অবস্থান করছে ভারতীয় সীমান্তঘেষা ফারংপাড়া-ভবানীপুর পাহাড়ি অঞ্চলে।

স্থানীয়রা জানান, হাতি গুলোর প্রধান আবাসস্থল সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে। প্রচন্ড খরায় পাহাড়ে পানি ও খাদ্যের সংকট দেখা দিলে হাতিগুলো খাদ্যের সন্ধানে নিম্নভূমিতে নেমে আসে। গত কয়েক বছর ধরেই হাতিগুলো ভারতীয় সীমান্ত পার হয়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। কিছুদিন  আগেও বন্য হাতি দলবেঁধে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে ঢুকে ফসল ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করেছে এবং হাতির আক্রমণে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ফসলি জমিতে বন্য হাতির দল তান্ডবের খবরে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারঃ) মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম,একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.সাইফুল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারঃ)মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, হাতিগুলো বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। হাতিগুলো থেকে সতর্ক থাকতে স্থানীয়দের বলা হয়েছে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।