সিরাজগঞ্জে ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

#
news image

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর  ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ভিজিএফ কার্ডধারীদের দুঃস্থ ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ কেজির স্থলে আট- নয় কেজি করে চাল বিতরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিকাংশ সুবিধাভোগীকে   চাল কম দেওয়া হয়েছে ।

গতকাল বুধবার  সকালে এ চাল বিতরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর  ইউনিয়নে ২ হাজার ২ শত ৬৫ জন সুবিধাভোগির মধ্যে ১০ কেজি করে  চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু সুবিধাভোগীদের অভিযোগ তাঁদেরকে ১০ কেজি চাল না দিয়ে ৮/৯ কেজি  দেওয়া হয়েছে। 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায় পাচান গ্রামের মহির উদ্দিন শেখ সাড়ে-৯ কেজি, আজম আলী-৯ কেজি ,কুমার গাইজানি গ্রামের  খাতুনকে রিজিয়া -৯ কেজি, ও আশরাফ আলী কে সাড়ে ৮ কেজি এবং রৌহাদহ গ্রামের  রফিকুল ইসলাম কে  সাড়ে ৮ কেজি এছাড়াও অধিকাংশ উপকার ভোগীদের মাঝে  ৮কেজি করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরোকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। 

ইউপি সচিব ফরিদুল ইসলাম জানান,  চাউল কম দেওয়া হয় নাই চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করেন আমি ব্যাস্ত আছি।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার আরিফ রহমান জানান, আমি ছিলাম চাউল কম দেয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,  উজ্জল হোসেন বলেন,  কম দেওয়ার কোন সুযোগ নাই অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মোঃ সৌরভ হোসাইন (সবুজ), সিরাজগঞ্জ

১৩ এপ্রিল, ২০২৩,  4:49 PM

news image

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর  ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল ওজনে কম দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ভিজিএফ কার্ডধারীদের দুঃস্থ ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ কেজির স্থলে আট- নয় কেজি করে চাল বিতরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিকাংশ সুবিধাভোগীকে   চাল কম দেওয়া হয়েছে ।

গতকাল বুধবার  সকালে এ চাল বিতরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর  ইউনিয়নে ২ হাজার ২ শত ৬৫ জন সুবিধাভোগির মধ্যে ১০ কেজি করে  চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু সুবিধাভোগীদের অভিযোগ তাঁদেরকে ১০ কেজি চাল না দিয়ে ৮/৯ কেজি  দেওয়া হয়েছে। 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায় পাচান গ্রামের মহির উদ্দিন শেখ সাড়ে-৯ কেজি, আজম আলী-৯ কেজি ,কুমার গাইজানি গ্রামের  খাতুনকে রিজিয়া -৯ কেজি, ও আশরাফ আলী কে সাড়ে ৮ কেজি এবং রৌহাদহ গ্রামের  রফিকুল ইসলাম কে  সাড়ে ৮ কেজি এছাড়াও অধিকাংশ উপকার ভোগীদের মাঝে  ৮কেজি করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরোকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। 

ইউপি সচিব ফরিদুল ইসলাম জানান,  চাউল কম দেওয়া হয় নাই চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করেন আমি ব্যাস্ত আছি।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার আরিফ রহমান জানান, আমি ছিলাম চাউল কম দেয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,  উজ্জল হোসেন বলেন,  কম দেওয়ার কোন সুযোগ নাই অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।