নান্দাইলে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

#
news image

ময়নসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৬নং রাজগাতী ইউনিয়নের বনাটি গাংগাইল পাড়া গ্রামে মারপিট, চুরি, সেচ কাজের ক্ষতিসাধন, হত্যার হুমকি সহ ফৌজদারী মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামীপক্ষ। বর্তমানে মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর ভাই বুলু মিয়া আসামিদের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ে আছে।

তবে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলার ১৬জন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি বলে বাদী বকুল মিয়া জানান। তবে মামলার ১৩ জন আাসামি জামিনে বাড়িতে এসে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ১নং আসামি মো. রাজন মিয়া, ৩নং আসামি রমজান ও ৫নং আসামি নূর ইসলামকে নিয়ে বাদীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। নান্দাইল মডেল থানা দায়েরকৃত মামলা নং ১০/৩৭ সূত্রে জানাগেছে, গত ২৪ জানুয়ারি/২৩ইং বাদী বকুল মিয়ার নিজ গ্রামে বাড়ির পাশে কৃষি সেচলাইন সংক্রান্ত বিষয়ে গোলযোগে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ রাজন মিয়া, আজিজুল, রমজান, বজলু, নূর ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মাহাবুবুর রহমান, তোতা মিয়া, মোফাজ্জল মিয়া, জামাল, পাপ্পু মিয়া, তৌহিদ মিয়া, হেকিম শেখ, সোনা মিয়া, নাজমুল ও মাসুদ দেশী-অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোকসেদ আলীর পুত্র মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারকে মারধর করে।

পাশাপাশি সেচ যন্ত্র  ও সেচলাইনের ক্ষতি সাধন করে। এতে বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি বকুল মিয়া বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় আসামিদের হুমকির ভয়ে বাদী ও তাঁর ভাই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলার বাদী বকুল মিয়া বলেন, আসামীদের অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় একাধিক সালিশ দরবারও হয়েছে, কিন্তু এর কোন সুরাহা না হওয়ায় আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। মামলা দায়ের করায় তারা আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার ভাই বাড়ি ছাড়া।

আসামিদের এমন অত্যাচার-নির্যাতন থেকে রেহাই পাওয়া সহ বাড়ি ঘরে ফিরে যেতে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন বাদীর পরিবার। এ ঘটনায় মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুর আলম জানান, ওই মামলায় ১৩ জন আসামি জামিনে আছে। তবে বাদী কর্তৃক কোন হুমকির অভিযোগ পায়নি। ফেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে মামলার ১নং আসামী রাজন মিয়ার নিকট বাদীকে হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সে মামলা করেছে, ভালো কথা, এখন তা আইনের বিষয়। তাঁর বাড়িতে সে থাকবে, এটাতো আমাদের কোন বিষয় না। সে বাড়িতে না থাকলে এটাতো আমাদের দোষের কিছু নয়।

মো. শাহজাহান ফকির নান্দাইল, ময়মনসিংহ

১২ এপ্রিল, ২০২৩,  10:44 PM

news image

ময়নসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৬নং রাজগাতী ইউনিয়নের বনাটি গাংগাইল পাড়া গ্রামে মারপিট, চুরি, সেচ কাজের ক্ষতিসাধন, হত্যার হুমকি সহ ফৌজদারী মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামীপক্ষ। বর্তমানে মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর ভাই বুলু মিয়া আসামিদের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ে আছে।

তবে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলার ১৬জন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি বলে বাদী বকুল মিয়া জানান। তবে মামলার ১৩ জন আাসামি জামিনে বাড়িতে এসে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ১নং আসামি মো. রাজন মিয়া, ৩নং আসামি রমজান ও ৫নং আসামি নূর ইসলামকে নিয়ে বাদীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। নান্দাইল মডেল থানা দায়েরকৃত মামলা নং ১০/৩৭ সূত্রে জানাগেছে, গত ২৪ জানুয়ারি/২৩ইং বাদী বকুল মিয়ার নিজ গ্রামে বাড়ির পাশে কৃষি সেচলাইন সংক্রান্ত বিষয়ে গোলযোগে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ রাজন মিয়া, আজিজুল, রমজান, বজলু, নূর ইসলাম, হাবিবুর রহমান, মাহাবুবুর রহমান, তোতা মিয়া, মোফাজ্জল মিয়া, জামাল, পাপ্পু মিয়া, তৌহিদ মিয়া, হেকিম শেখ, সোনা মিয়া, নাজমুল ও মাসুদ দেশী-অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোকসেদ আলীর পুত্র মামলার বাদী বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারকে মারধর করে।

পাশাপাশি সেচ যন্ত্র  ও সেচলাইনের ক্ষতি সাধন করে। এতে বকুল মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি বকুল মিয়া বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় আসামিদের হুমকির ভয়ে বাদী ও তাঁর ভাই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলার বাদী বকুল মিয়া বলেন, আসামীদের অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় একাধিক সালিশ দরবারও হয়েছে, কিন্তু এর কোন সুরাহা না হওয়ায় আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। মামলা দায়ের করায় তারা আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার ভাই বাড়ি ছাড়া।

আসামিদের এমন অত্যাচার-নির্যাতন থেকে রেহাই পাওয়া সহ বাড়ি ঘরে ফিরে যেতে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন বাদীর পরিবার। এ ঘটনায় মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুর আলম জানান, ওই মামলায় ১৩ জন আসামি জামিনে আছে। তবে বাদী কর্তৃক কোন হুমকির অভিযোগ পায়নি। ফেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে মামলার ১নং আসামী রাজন মিয়ার নিকট বাদীকে হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সে মামলা করেছে, ভালো কথা, এখন তা আইনের বিষয়। তাঁর বাড়িতে সে থাকবে, এটাতো আমাদের কোন বিষয় না। সে বাড়িতে না থাকলে এটাতো আমাদের দোষের কিছু নয়।