মোরেলগঞ্জে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি খাল ও নদীর চর দখলের অভিযোগ
বিএম. মাহবুব, মোরেলগঞ্জ
০৯ এপ্রিল, ২০২৩, 12:16 PM
মোরেলগঞ্জে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি খাল ও নদীর চর দখলের অভিযোগ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রভানশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি খাল, নদী ভরাটের চর অবৈধ দখল ও ভেকু মেশিন দিয়ে মৎস্য বেড়ি বাধ নির্মান করে জলাবদ্ধতা সৃস্টি করে ফসলহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার বেলা ১১টায় ভূক্তভোগীদের পক্ষে মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম শিকদার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, উপজেলার পঞ্চকরন ইউনিয়নের ৯নং পঞ্চকরন মৌজার ১নং খতিয়ানে ১৩৪,২০৭,২১০ নং দাগের সরকরি দরগাবাড়ি খালসহ ঘষিয়াখালী নদীর চর দখল ও ভেকু মেশিন দিয়ে ভেড়ি বাধঁ তৈরী করছে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। যার কারনে চাষাবাদকৃত জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি ও ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দখলদার হিসেবে ওই গ্রামের বেলায়েত শেখ, বাহার খান, রিয়াদ খান ও রুস্তুম আলী রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান। এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি-ধমকিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়।
স্থানীয়রা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে এ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন প্রতিকার পাননি। এলাকাবাসী প্রভাবশালীদের অবৈধভাবে খাল ও চর দখলমুক্ত করে জলাবদ্ধতা নিরসনপূর্বক ফসলহানী থেকে কৃষকদের রক্ষার আবেদন জানানো হয়।
বিএম. মাহবুব, মোরেলগঞ্জ
০৯ এপ্রিল, ২০২৩, 12:16 PM
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রভানশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি খাল, নদী ভরাটের চর অবৈধ দখল ও ভেকু মেশিন দিয়ে মৎস্য বেড়ি বাধ নির্মান করে জলাবদ্ধতা সৃস্টি করে ফসলহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার বেলা ১১টায় ভূক্তভোগীদের পক্ষে মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম শিকদার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, উপজেলার পঞ্চকরন ইউনিয়নের ৯নং পঞ্চকরন মৌজার ১নং খতিয়ানে ১৩৪,২০৭,২১০ নং দাগের সরকরি দরগাবাড়ি খালসহ ঘষিয়াখালী নদীর চর দখল ও ভেকু মেশিন দিয়ে ভেড়ি বাধঁ তৈরী করছে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। যার কারনে চাষাবাদকৃত জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি ও ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দখলদার হিসেবে ওই গ্রামের বেলায়েত শেখ, বাহার খান, রিয়াদ খান ও রুস্তুম আলী রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান। এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি-ধমকিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়।
স্থানীয়রা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে এ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন প্রতিকার পাননি। এলাকাবাসী প্রভাবশালীদের অবৈধভাবে খাল ও চর দখলমুক্ত করে জলাবদ্ধতা নিরসনপূর্বক ফসলহানী থেকে কৃষকদের রক্ষার আবেদন জানানো হয়।