ঝিনাইদহে সেলুনকর্মী হত্যা  মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

#
news image

 ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। একইসাথে আদালত উভয়কে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদন্ডে  দন্ডিত করেন।

বুধবার দুপুরে  ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ নাজিমুদ্দৌলা এ রায় প্রদান করেন। কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিণদিয়া গ্রামের মৃত আলী নেওয়াজের ছেলে নাসির উদ্দীন ও একই গ্রামের কালাচানের ছেলে হাফিজুর রহমান।

রায়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, হরিনদিয়া গ্রামের বাজারে বিমল চন্দ্র দাস তার সেলুনের দোকানে  অন্যান্য দিনের মত কাজ সেরে ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাতে পায়ে হেটে বাড়ীতে যাচ্ছিলেন। অজ্ঞাতকারী দুষ্কৃতকারীরা তার গলা কেটে খুন করে মাঠের সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মররদেহ উদ্ধার করে। ঐদিন রাতেই বিমল চন্দ্র দাসের ছোট ভাই কোটচাঁদপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তশেষে ২০১৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চার্জসিট দেয়। আদালত  দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ রায় প্রদান করেন।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

০৬ এপ্রিল, ২০২৩,  9:42 AM

news image

 ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। একইসাথে আদালত উভয়কে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদন্ডে  দন্ডিত করেন।

বুধবার দুপুরে  ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ নাজিমুদ্দৌলা এ রায় প্রদান করেন। কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিণদিয়া গ্রামের মৃত আলী নেওয়াজের ছেলে নাসির উদ্দীন ও একই গ্রামের কালাচানের ছেলে হাফিজুর রহমান।

রায়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, হরিনদিয়া গ্রামের বাজারে বিমল চন্দ্র দাস তার সেলুনের দোকানে  অন্যান্য দিনের মত কাজ সেরে ২০১৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাতে পায়ে হেটে বাড়ীতে যাচ্ছিলেন। অজ্ঞাতকারী দুষ্কৃতকারীরা তার গলা কেটে খুন করে মাঠের সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মররদেহ উদ্ধার করে। ঐদিন রাতেই বিমল চন্দ্র দাসের ছোট ভাই কোটচাঁদপুর থানায় অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তশেষে ২০১৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চার্জসিট দেয়। আদালত  দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ রায় প্রদান করেন।