নেত্রকোনার পূর্বধলায় পারিবারিক কলহের জেরে দেবরের হাতে ভাবি খুন
মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা
৩০ মার্চ, ২০২৩, 7:42 PM
নেত্রকোনার পূর্বধলায় পারিবারিক কলহের জেরে দেবরের হাতে ভাবি খুন
নেত্রকোনার পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের আগমারকেন্ডা গ্রামে গত সোমবার ২৭ মার্চ রাতে আলম খা’র স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (৪৫) কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এন্টি টেরোরিজম ইউনিট এ কর্মরত এএসআই ফিরোজ খাসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার এর দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত ঝর্ণা আক্তারের চাচাতো দেবর খোয়াজ খা কর্তৃক তার বিবাহ যোগ্য মেয়েকে বেধড়ক মারধর করার সময় ঝর্ণা আক্তার বাঁধা দেয়ায় কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে গত সোমবার ২৭ মার্চ রাতে পারিবারিক ভাবে দরবার শালিস এর মাধ্যমে মিমাংসার জন্য ঝর্ণা আক্তারের কাছে মাফ চাইতে গেলে ঝর্ণা আক্তার বিচার সঠিক হয়নি বলে জুতা দিয়ে আঘাত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাকবিতন্ডা এবং উত্তেজনায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে ঝর্ণা আক্তার সহ কয়েকজন আহত হন।
সিএনজি যোগে আহত ঝর্ণা আক্তারকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে উপলা গ্রামের তোতো মিয়ার দোকানের সামনে গতিরোধ করে খোয়াজ খা সহ ছুটিতে থাকা বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিটে কর্মরত এএসআই ফিরোজ খাসহ তার পরিবারের সদস্যরা ঝর্ণা আক্তার ও তার পরিবারের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে ঝর্ণা আক্তারসহ চার পাঁচ জনকে গুরুত্বর আহত করে দুর্বৃত্তরা।
ঝর্ণা আক্তারের মাথায় দায়ের কুপে মারাত্মক জখম হলে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়, অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে
আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে ২৯ মার্চ বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু হয়। এখবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মামলায় অভিযুক্ত জামধলা বাজারের ব্যবসায়ী সিরাজ খার দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত বুধবার ২৯ মার্চ পূর্বধলা থানায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা গ্রামের নিহত ঝর্ণা আক্তার এর ভাই রুহুল আমিন (৩৩) পিতা মোঃ আঃ রাজ্জাক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন:- ১/ খোয়াজ খা (৪৫) ২/ ফিরোজ খা (৩৫) ৩/ সিরাজ খা (৩০) সকল পিতা মোঃ আঃ সাত্তার খা, ৪/ আরমান খা (১৯) পিতা খোয়াজ খা, ৫/ আবু বক্কর (১৯) পিতা মোঃ ইছমত খা, সর্ব সাং আগমারগেন্ডা ৬/ হাবেছ মিয়া (৩০) ৭/ রেহাল মিয়া (৫২) উভয় পিতা মৃত ইসমাইল, ৮/ কামাল (৩২) পিতা মৃত ইমান আলী, ৯/ তোতা মিয়া ১০/ আলাল (৩০) উভয় পিতা মৃত অছর উদ্দিন সর্বগ্রাম পূর্বধলা উপজেলার উপলা গ্রামের বাসিন্দা। এঘটনায় মামলা করলেও এখন পর্যন্ত এএসআই ফিরোজ খাসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এঘটনায় মামলার আইও এসআই সাদ্দাম হোসাইন এর সাথে বার বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি, পরে রাত দশটায় ফোন ধরলেও কোন তথ্য না দিয়ে ব্যস্থতা দেখিয়ে ফোন রেখে দেন। পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় বুধবার সকালে নিহতের ভাই নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা গ্রামের রুহুল আমিন বাদী হয়ে খোয়াজ খা, ফিরোজ খা, আরমান খা, আবু বকর ও সিরাজ খাসহ ৯ জনকে আসামী করে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
যেহেতু থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছে এখন আমরাই হত্যার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করবো। এ দিকে অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা
৩০ মার্চ, ২০২৩, 7:42 PM
নেত্রকোনার পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের আগমারকেন্ডা গ্রামে গত সোমবার ২৭ মার্চ রাতে আলম খা’র স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (৪৫) কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এন্টি টেরোরিজম ইউনিট এ কর্মরত এএসআই ফিরোজ খাসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার এর দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত ঝর্ণা আক্তারের চাচাতো দেবর খোয়াজ খা কর্তৃক তার বিবাহ যোগ্য মেয়েকে বেধড়ক মারধর করার সময় ঝর্ণা আক্তার বাঁধা দেয়ায় কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে গত সোমবার ২৭ মার্চ রাতে পারিবারিক ভাবে দরবার শালিস এর মাধ্যমে মিমাংসার জন্য ঝর্ণা আক্তারের কাছে মাফ চাইতে গেলে ঝর্ণা আক্তার বিচার সঠিক হয়নি বলে জুতা দিয়ে আঘাত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাকবিতন্ডা এবং উত্তেজনায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে ঝর্ণা আক্তার সহ কয়েকজন আহত হন।
সিএনজি যোগে আহত ঝর্ণা আক্তারকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে উপলা গ্রামের তোতো মিয়ার দোকানের সামনে গতিরোধ করে খোয়াজ খা সহ ছুটিতে থাকা বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিটে কর্মরত এএসআই ফিরোজ খাসহ তার পরিবারের সদস্যরা ঝর্ণা আক্তার ও তার পরিবারের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে ঝর্ণা আক্তারসহ চার পাঁচ জনকে গুরুত্বর আহত করে দুর্বৃত্তরা।
ঝর্ণা আক্তারের মাথায় দায়ের কুপে মারাত্মক জখম হলে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়, অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে
আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে ২৯ মার্চ বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যু হয়। এখবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মামলায় অভিযুক্ত জামধলা বাজারের ব্যবসায়ী সিরাজ খার দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত বুধবার ২৯ মার্চ পূর্বধলা থানায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা গ্রামের নিহত ঝর্ণা আক্তার এর ভাই রুহুল আমিন (৩৩) পিতা মোঃ আঃ রাজ্জাক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন:- ১/ খোয়াজ খা (৪৫) ২/ ফিরোজ খা (৩৫) ৩/ সিরাজ খা (৩০) সকল পিতা মোঃ আঃ সাত্তার খা, ৪/ আরমান খা (১৯) পিতা খোয়াজ খা, ৫/ আবু বক্কর (১৯) পিতা মোঃ ইছমত খা, সর্ব সাং আগমারগেন্ডা ৬/ হাবেছ মিয়া (৩০) ৭/ রেহাল মিয়া (৫২) উভয় পিতা মৃত ইসমাইল, ৮/ কামাল (৩২) পিতা মৃত ইমান আলী, ৯/ তোতা মিয়া ১০/ আলাল (৩০) উভয় পিতা মৃত অছর উদ্দিন সর্বগ্রাম পূর্বধলা উপজেলার উপলা গ্রামের বাসিন্দা। এঘটনায় মামলা করলেও এখন পর্যন্ত এএসআই ফিরোজ খাসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এঘটনায় মামলার আইও এসআই সাদ্দাম হোসাইন এর সাথে বার বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি, পরে রাত দশটায় ফোন ধরলেও কোন তথ্য না দিয়ে ব্যস্থতা দেখিয়ে ফোন রেখে দেন। পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় বুধবার সকালে নিহতের ভাই নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা গ্রামের রুহুল আমিন বাদী হয়ে খোয়াজ খা, ফিরোজ খা, আরমান খা, আবু বকর ও সিরাজ খাসহ ৯ জনকে আসামী করে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
যেহেতু থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছে এখন আমরাই হত্যার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করবো। এ দিকে অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।