সন্তানের আগমনে কী ধরনের টানাপড়েন দেখা দেয়?

#
news image

দাম্পত্য জীবনে নানা সময়ে বিভিন্ন ধরনের টানাপড়েনের মুখোমুখি হতে হয়। সেগুলোকে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে চাইলে বিষয়গুলো নিয়ে থাকতে হবে সচেতন। যেমন সংসারে সন্তানের আগমনের কথাই ধরুন। সন্তানের আগমনকে ঘিরে বাবা-মায়ের উচ্ছ্বাসের সীমা থাকে না। তবে নতুন একটি প্রাণ আসার পর রাত জাগা, স্ট্রেস, সময়ের অভাবসহ নানা বাস্তবতায় নাস্তানাবুদ হতে হয় বাবা-মাকে। যার প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। এই ধরনের সমস্যাগুলোর সমাধান কীভাবে করবেন জেনে নিন।  

১। পৃথিবীতে আসার পর শিশুর ঘুম রুটিনে আসতে সময় লেগে যায় বেশ কিছুদিন। এ সময়টায় তাই রাত জাগতে হয় বেশিরভাগ বাবা-মাকেই। নিয়মিত রাত জাগার ফলে সারাদিন ক্লান্ত লাগা ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মা দুজনেই পালা করে রাত জাগতে পারেন। পাশাপাশি কোনো সাহায্যকারীর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

২। পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন ও বেবি ব্লুজ- এগুলোর সঙ্গে শিশুর বাবার থাকতে হবে পরিচয়। কারণ হরমোনজনিত কারণে একজন নতুন মা ভোগেন মুড সুইং ও বেবি ব্লুজ বা পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশনে। সঙ্গীকে তাই সর্বোচ্চ সহায়তা করতে হবে এই সময়ে। শিশুর দেখাশোনা করার পাশাপাশি মনোযোগ দিতে হবে শিশুর মায়ের দিকেও। তার পুষ্টিকর খাবার খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। তার পছন্দের কাজগুলো করার সুযোগ করে দিতে হবে।

৩। শিশুর যতেœ সময় দিতে গিয়ে সঙ্গীকে সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না এই সময়। ফলে সম্পর্কে দূরত্ব চলে আসার সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে খুব সচেতনভাবে নিজেদের জন্য সময় বের করা জরুরি।

৪। নতুন শিশু সংসারে আসার পরপরই বেড়ে যায় খরচ। বাড়তি খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় বাবা-মাকে। আর্থিক অসঙ্গতি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ফেলতে পারে প্রভাব। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে শিশু দুনিয়াতে আসার আগেই বাজেট পরিকল্পনা করে নেবেন।

নাগরিক ডেস্ক

৩০ মার্চ, ২০২৩,  3:56 PM

news image

দাম্পত্য জীবনে নানা সময়ে বিভিন্ন ধরনের টানাপড়েনের মুখোমুখি হতে হয়। সেগুলোকে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে চাইলে বিষয়গুলো নিয়ে থাকতে হবে সচেতন। যেমন সংসারে সন্তানের আগমনের কথাই ধরুন। সন্তানের আগমনকে ঘিরে বাবা-মায়ের উচ্ছ্বাসের সীমা থাকে না। তবে নতুন একটি প্রাণ আসার পর রাত জাগা, স্ট্রেস, সময়ের অভাবসহ নানা বাস্তবতায় নাস্তানাবুদ হতে হয় বাবা-মাকে। যার প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। এই ধরনের সমস্যাগুলোর সমাধান কীভাবে করবেন জেনে নিন।  

১। পৃথিবীতে আসার পর শিশুর ঘুম রুটিনে আসতে সময় লেগে যায় বেশ কিছুদিন। এ সময়টায় তাই রাত জাগতে হয় বেশিরভাগ বাবা-মাকেই। নিয়মিত রাত জাগার ফলে সারাদিন ক্লান্ত লাগা ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মা দুজনেই পালা করে রাত জাগতে পারেন। পাশাপাশি কোনো সাহায্যকারীর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

২। পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন ও বেবি ব্লুজ- এগুলোর সঙ্গে শিশুর বাবার থাকতে হবে পরিচয়। কারণ হরমোনজনিত কারণে একজন নতুন মা ভোগেন মুড সুইং ও বেবি ব্লুজ বা পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশনে। সঙ্গীকে তাই সর্বোচ্চ সহায়তা করতে হবে এই সময়ে। শিশুর দেখাশোনা করার পাশাপাশি মনোযোগ দিতে হবে শিশুর মায়ের দিকেও। তার পুষ্টিকর খাবার খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। তার পছন্দের কাজগুলো করার সুযোগ করে দিতে হবে।

৩। শিশুর যতেœ সময় দিতে গিয়ে সঙ্গীকে সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না এই সময়। ফলে সম্পর্কে দূরত্ব চলে আসার সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে খুব সচেতনভাবে নিজেদের জন্য সময় বের করা জরুরি।

৪। নতুন শিশু সংসারে আসার পরপরই বেড়ে যায় খরচ। বাড়তি খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় বাবা-মাকে। আর্থিক অসঙ্গতি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ফেলতে পারে প্রভাব। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে শিশু দুনিয়াতে আসার আগেই বাজেট পরিকল্পনা করে নেবেন।