গরুর মালিক, না গরু চোর ?

#
news image

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৮ টি গরু আটক করেছে পুলিশ। গরুর সাথে কৃষক আব্দুল ওয়াহিদকে আটক করা হয়েছে। তিনি এখন গরু চুরির মামলায় কারাগারে। গরু ৮টি কার  এ প্রশ্ন উঠেছে নিজ গ্রাম গন্ধবপুর এলাকায়। যাকে ধরে আনা হয়েছে তিনি গরুর মালিক না গরু চোর? এদিকে পুলিশ ৮টি গরুর মধ্যে ৬টি গরু ওয়াহিদের পরিবারকে ফেরত দিয়েছে।

অবশিষ্ট দুটি গরুর দায় চাপানো হচ্ছে ওয়াহিদের উপর। এবং দুটি গরুর বাদশা নামের একজনকে মালিক বানিয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতে গড়াচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে আব্দুল ওয়াহিদ একজন কৃষক। তার বসত ঘরের পাশের রুমে ৮টি গরু রাখতেন। দীর্ঘদিন গরু ৮টিকে লালন করে বড় করে তুলেছেন। হঠাৎ একদিন গভীর রাতে পুলিশ এসে ৮টি গরু আটক করেন।

সাথে গরুর মালিক ওয়াহিদকে চোর সাব্যস্থ করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় ছেলে জিয়াকেও পুলিশ আটক করে। পরে অবশ্য উৎকোচের বিনিময়ে জিয়াকে ছেড়ে দেয়া হয়। পিতা ওয়াহিদকে পাঠানো হয় কারাগারে। এলাকার লোকজন অনেকেই বলছেন ওয়াহিদ গরু চুরি করেননি। ৮টি গরুর মালিক তিনি নিজেই। এবং এও বলছেন লোকজন গরু তার না হলে ৬টি গরু থানা পুলিশ ফেরত দেয় কেন? কোন আইনে গরুগুলো আটক করা হয়েছে এ প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। ওয়াহিদের ছেলে জিয়া উদ্দিন বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধি। হঠাৎ করে বাবার সাথে আমাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। আমাকে থানায় মারপিট করা হয়। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

আমাদের ৮টি গরুর মধ্যে ৬টি গরু ফেরত দিয়েছেন থানা পুলিশ। অবশিষ্ঠ দুটি গরু ফেরত চেয়ে ন্যায় বিচার কামনা করেন তিনি।

আব্দুল হেকিম বলেন আমার ভাই একজন বয়স্ক মানুষ। বিনা দোষে তিনি এখন জেলে। গরুর মালিক না হলে কয়েকদিন পর থানা পুলিশ গরু ৬টি ফেরত দেয় কেন ? বাকি দুটি গরুর মালিক বানানো হয়েছে একজনকে। তিনি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাই। এস আই জিন্নাতুল বলেন আমি কারো কাছ থেকে ঘুষ গ্রহন করিনি। ৬টি গরু ইউপি সদস্যে’র জিম্মায় ফেরত দেয়া হয়েছে। দুটি গরুর মালিক পাওয়া গেছে। আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন আছে।

অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ

৩০ মার্চ, ২০২৩,  2:34 PM

news image

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৮ টি গরু আটক করেছে পুলিশ। গরুর সাথে কৃষক আব্দুল ওয়াহিদকে আটক করা হয়েছে। তিনি এখন গরু চুরির মামলায় কারাগারে। গরু ৮টি কার  এ প্রশ্ন উঠেছে নিজ গ্রাম গন্ধবপুর এলাকায়। যাকে ধরে আনা হয়েছে তিনি গরুর মালিক না গরু চোর? এদিকে পুলিশ ৮টি গরুর মধ্যে ৬টি গরু ওয়াহিদের পরিবারকে ফেরত দিয়েছে।

অবশিষ্ট দুটি গরুর দায় চাপানো হচ্ছে ওয়াহিদের উপর। এবং দুটি গরুর বাদশা নামের একজনকে মালিক বানিয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতে গড়াচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে আব্দুল ওয়াহিদ একজন কৃষক। তার বসত ঘরের পাশের রুমে ৮টি গরু রাখতেন। দীর্ঘদিন গরু ৮টিকে লালন করে বড় করে তুলেছেন। হঠাৎ একদিন গভীর রাতে পুলিশ এসে ৮টি গরু আটক করেন।

সাথে গরুর মালিক ওয়াহিদকে চোর সাব্যস্থ করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় ছেলে জিয়াকেও পুলিশ আটক করে। পরে অবশ্য উৎকোচের বিনিময়ে জিয়াকে ছেড়ে দেয়া হয়। পিতা ওয়াহিদকে পাঠানো হয় কারাগারে। এলাকার লোকজন অনেকেই বলছেন ওয়াহিদ গরু চুরি করেননি। ৮টি গরুর মালিক তিনি নিজেই। এবং এও বলছেন লোকজন গরু তার না হলে ৬টি গরু থানা পুলিশ ফেরত দেয় কেন? কোন আইনে গরুগুলো আটক করা হয়েছে এ প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। ওয়াহিদের ছেলে জিয়া উদ্দিন বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধি। হঠাৎ করে বাবার সাথে আমাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। আমাকে থানায় মারপিট করা হয়। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

আমাদের ৮টি গরুর মধ্যে ৬টি গরু ফেরত দিয়েছেন থানা পুলিশ। অবশিষ্ঠ দুটি গরু ফেরত চেয়ে ন্যায় বিচার কামনা করেন তিনি।

আব্দুল হেকিম বলেন আমার ভাই একজন বয়স্ক মানুষ। বিনা দোষে তিনি এখন জেলে। গরুর মালিক না হলে কয়েকদিন পর থানা পুলিশ গরু ৬টি ফেরত দেয় কেন ? বাকি দুটি গরুর মালিক বানানো হয়েছে একজনকে। তিনি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাই। এস আই জিন্নাতুল বলেন আমি কারো কাছ থেকে ঘুষ গ্রহন করিনি। ৬টি গরু ইউপি সদস্যে’র জিম্মায় ফেরত দেয়া হয়েছে। দুটি গরুর মালিক পাওয়া গেছে। আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন আছে।