আমার আর বেনারশি পরা হলোনা বেতাগীতে শোকের মাতনে দিশেহারা স্বজন
উপজেলা সংবাদদাতা
২৮ মার্চ, ২০২৩, 3:38 PM
আমার আর বেনারশি পরা হলোনা বেতাগীতে শোকের মাতনে দিশেহারা স্বজন
বিয়ে হয়েছে সত্য তবে সাজা হয়নি বউ, পরা হয়নি বেনারশি শাড়ি। কথা ছিলো এবার বাড়িতে এসে আমাকে বেনারশিতে বউ সাজিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু আমার পোঁড়া কপালে সেই সুখ আর সইলো না,আমার আর বেনারশি পরা হলোনা। এমনটা বলেই চিৎকার কেঁদেছিলো ওমরাহ শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাগর জোমাদ্দারের স্ত্রী শান্তা আক্তার। ওমরা শেষে ফেরার পথে দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এ ঘটনায় এখন বরগুনার বেতাগীতে চলছে স্বজনদের শোকের মাতন। একই পরিবারের দুজন সদস্যকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা—মা, দিশেহারা স্বজনরা। নিহত সাগরের স্ত্রী শান্তার কান্নার বেদনায় যেনো স্তব্দ হয়ে আছে পুরো এলাকাটি।
নিহত সাগরের স্ত্রী শান্তা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, সাত বছর প্রেমের সম্পর্কের পর পরিবারের বাহিরে গিয়ে ভালোবাসার টানে বিয়ে করেন সাগর ও শান্তা। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি দেন স্বামী সাগর জোমাদ্দার। স্ত্রী শান্তা সাগরের বোনের বাসায় ই থাকতো। কতা ছিলো প্রবাস থেকে ফিরে বেনারশি পড়িয়ে বউয়ের সাজে সাগরের বাড়িতে নিয়ে যাবে। তবে সেই সুখ দেখার আগেই প্রবাস জীবনের বছর না ঘুরতেই স্বামীর অকাল মৃত্যু সংবাদ। এ যেনো মাথায় আকাশ ভেঙে পরার মতো অবস্থা। এ দিকে স্বামীর লাশটিও শেষ বারের জন্য দেখতে পারবে কিনা সে অনিশ্চয়তা তো থাকছেই।
ওমরা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই বাংলাদেশী হজযাত্রী এরা একই পরিবারের সদস্য। সম্পের্ক শ্যালক দুলাভাই। বিগত ২৩ বছর পূর্বে কর্মের তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান নিহত মোজাম্মেল হোসাইন। শশুড়ের পরিাবারের সস্বচ্ছলতা ফোরাতে এক বছর পূর্বে নিজ কর্মস্থলেই নিয়ে যান শ্যালক সাগর জোমাদ্দারকে। ওমরা হজের উদ্দেশ্যে সৌদির আলগাছিমের উনাইযা নামক স্থান থেকে তারা গত বৃহস্পতিবার মক্কায় রওয়ানা হন। ওমরা শেষ করে কর্মস্থলে ফেরার পথে গাড়ির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে আল আরিয়ান নামক স্থানে পাথরের পাহারের সাথে ধাক্কা লাগে এবং ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাংলাদেশী ওই দুই নাগরিক।
বাংলাদেশী সময় শনিবার সকাল ১১ টায় ঘটনাটি ঘটে। সাথে থাকা আহত এক সফরসঙ্গী বাংলাদেশে নিহত সাগর জোমাদ্দারের পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে তারা নিশ্চিত হন। সাগর ও তার দুলাভাই মোজাম্মেল হোসাইনের লাশ বাংলাদেশে ফিরে পেতে তার সৌদি দূতাবাসের সহযোগীতা চাইছেন নিহত দুই বাংলাদেশী নাগরিকের পরিবার।
উপজেলা সংবাদদাতা
২৮ মার্চ, ২০২৩, 3:38 PM
বিয়ে হয়েছে সত্য তবে সাজা হয়নি বউ, পরা হয়নি বেনারশি শাড়ি। কথা ছিলো এবার বাড়িতে এসে আমাকে বেনারশিতে বউ সাজিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু আমার পোঁড়া কপালে সেই সুখ আর সইলো না,আমার আর বেনারশি পরা হলোনা। এমনটা বলেই চিৎকার কেঁদেছিলো ওমরাহ শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাগর জোমাদ্দারের স্ত্রী শান্তা আক্তার। ওমরা শেষে ফেরার পথে দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এ ঘটনায় এখন বরগুনার বেতাগীতে চলছে স্বজনদের শোকের মাতন। একই পরিবারের দুজন সদস্যকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা—মা, দিশেহারা স্বজনরা। নিহত সাগরের স্ত্রী শান্তার কান্নার বেদনায় যেনো স্তব্দ হয়ে আছে পুরো এলাকাটি।
নিহত সাগরের স্ত্রী শান্তা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, সাত বছর প্রেমের সম্পর্কের পর পরিবারের বাহিরে গিয়ে ভালোবাসার টানে বিয়ে করেন সাগর ও শান্তা। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি দেন স্বামী সাগর জোমাদ্দার। স্ত্রী শান্তা সাগরের বোনের বাসায় ই থাকতো। কতা ছিলো প্রবাস থেকে ফিরে বেনারশি পড়িয়ে বউয়ের সাজে সাগরের বাড়িতে নিয়ে যাবে। তবে সেই সুখ দেখার আগেই প্রবাস জীবনের বছর না ঘুরতেই স্বামীর অকাল মৃত্যু সংবাদ। এ যেনো মাথায় আকাশ ভেঙে পরার মতো অবস্থা। এ দিকে স্বামীর লাশটিও শেষ বারের জন্য দেখতে পারবে কিনা সে অনিশ্চয়তা তো থাকছেই।
ওমরা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই বাংলাদেশী হজযাত্রী এরা একই পরিবারের সদস্য। সম্পের্ক শ্যালক দুলাভাই। বিগত ২৩ বছর পূর্বে কর্মের তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান নিহত মোজাম্মেল হোসাইন। শশুড়ের পরিাবারের সস্বচ্ছলতা ফোরাতে এক বছর পূর্বে নিজ কর্মস্থলেই নিয়ে যান শ্যালক সাগর জোমাদ্দারকে। ওমরা হজের উদ্দেশ্যে সৌদির আলগাছিমের উনাইযা নামক স্থান থেকে তারা গত বৃহস্পতিবার মক্কায় রওয়ানা হন। ওমরা শেষ করে কর্মস্থলে ফেরার পথে গাড়ির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে আল আরিয়ান নামক স্থানে পাথরের পাহারের সাথে ধাক্কা লাগে এবং ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাংলাদেশী ওই দুই নাগরিক।
বাংলাদেশী সময় শনিবার সকাল ১১ টায় ঘটনাটি ঘটে। সাথে থাকা আহত এক সফরসঙ্গী বাংলাদেশে নিহত সাগর জোমাদ্দারের পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে তারা নিশ্চিত হন। সাগর ও তার দুলাভাই মোজাম্মেল হোসাইনের লাশ বাংলাদেশে ফিরে পেতে তার সৌদি দূতাবাসের সহযোগীতা চাইছেন নিহত দুই বাংলাদেশী নাগরিকের পরিবার।