অভয়নগর হাসপাতালে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে আহত -১

#
news image

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের সিলিং ফ্যান খুলে ছাত্তার গাজী নামের একজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে হাসপাতালের চার নম্বর ক্যাবিনে ফ্যান খুলে পড়ে এই ঘটনা ঘটে। ছাত্তার গাজী নওয়াপাড়া পৌরসভার ২ নাম্বার ওযার্ডের মৃত জানবাক্স গাজীর ছেলে। এসময় পাশে থাকা অসুস্থ রোগী অল্পের জন্য রক্ষা পায়।

জানা যায়, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। তবুও ঝুকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে সিলিং এর পলেস্তার খসে পড়ে রোগী নার্স ও স্টাফ আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

আহত ছাত্তার গাজী জানান, আমার স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। ৪ নাম্বার ক্যাবিন ভাড়া করে সেখানকার ফ্যান চালিয়ে দিতেই লোহার আংটা খুলে আমার মাথা ও কাধের পরে পড়ে। এসময় অন্য স্বজনরা আমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে। 

এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, কেবিন রুমের সিলিং ফ্যান পড়ে একজন আহত হয়েছেন। তিনি ব্যথা পাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সিলিং ফ্যানের স্থানে রড নষ্ট হওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভবনের ব্যাপারে কতৃপক্ষের কাছে আবেদন দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ সোরগোল শুরু হয়ছে এবং রুগীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। 

মোঃ ইবাদৎ হোসেন, অভয়নগর (যশোর)

২৪ মার্চ, ২০২৩,  3:20 PM

news image

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের সিলিং ফ্যান খুলে ছাত্তার গাজী নামের একজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে হাসপাতালের চার নম্বর ক্যাবিনে ফ্যান খুলে পড়ে এই ঘটনা ঘটে। ছাত্তার গাজী নওয়াপাড়া পৌরসভার ২ নাম্বার ওযার্ডের মৃত জানবাক্স গাজীর ছেলে। এসময় পাশে থাকা অসুস্থ রোগী অল্পের জন্য রক্ষা পায়।

জানা যায়, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। তবুও ঝুকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে সিলিং এর পলেস্তার খসে পড়ে রোগী নার্স ও স্টাফ আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

আহত ছাত্তার গাজী জানান, আমার স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। ৪ নাম্বার ক্যাবিন ভাড়া করে সেখানকার ফ্যান চালিয়ে দিতেই লোহার আংটা খুলে আমার মাথা ও কাধের পরে পড়ে। এসময় অন্য স্বজনরা আমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে। 

এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, কেবিন রুমের সিলিং ফ্যান পড়ে একজন আহত হয়েছেন। তিনি ব্যথা পাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সিলিং ফ্যানের স্থানে রড নষ্ট হওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভবনের ব্যাপারে কতৃপক্ষের কাছে আবেদন দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ সোরগোল শুরু হয়ছে এবং রুগীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।