নেত্রকোনায় পার্কে নিয়ে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর মামলা

#
news image

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ধর্ষণে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক কিশোরী।  এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইফাত (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে  আদালতে মামলা করেছেন কিশোরীর বাবা। পরে আদালত মোহনগঞ্জ থানাকে মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার মোহনঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত ইফাত বারহাট্টা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের  কাজল মিয়ার ছেলে। আর ওই কিশোরী মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে ইফাত মোহনগঞ্জ পৌরশহরে বসবাস করতো। পাশাপাশি বসবাসের কারণে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ইফাতের। সেই সূত্রে বারহাট্টার ডিজনি শিশুপার্কে ঘুরতে গিয়ে সেখানের একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে করে ইফাত। 

পরে নানা জায়গায় নিয়ে দফায় দফায় ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।  বিষয়টি কিশোরীরর পরিবারের লোকজন জানাজানি হয়।  তখন উভয় পক্ষের পরিবার বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি শেষ করা জন্য চেষ্টা করে।  এতে ইফাতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পেটের সন্তান নষ্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে কিশোরীর পরিবারের লোকজন রাজি হয়নি।  কিছু দিন এভাবে যাওয়ার পর এ ঘটনায় গত ২ জানুয়ারি কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে এ ঘটনায় জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত মামলাটি ২৯ মার্চের মধ্যে রেকর্ডভুক্ত করতে মোহনগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দেন।  

মোহনঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ২৯ মার্চের মধ্যে রেকর্ডভুক্ত করার নির্দেশনা আছে। যথা সময়েই মামলা রেকর্ডভুক্ত করা হবে। তবে এদিকে আমরা আসামিকে গ্রেপ্তারেরও চেষ্টা চালাচ্ছি।

এদিকে অভিযুক্ত ইফাত পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

১১ মার্চ, ২০২৩,  8:46 PM

news image

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ধর্ষণে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক কিশোরী।  এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইফাত (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে  আদালতে মামলা করেছেন কিশোরীর বাবা। পরে আদালত মোহনগঞ্জ থানাকে মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার মোহনঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত ইফাত বারহাট্টা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের  কাজল মিয়ার ছেলে। আর ওই কিশোরী মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে ইফাত মোহনগঞ্জ পৌরশহরে বসবাস করতো। পাশাপাশি বসবাসের কারণে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ইফাতের। সেই সূত্রে বারহাট্টার ডিজনি শিশুপার্কে ঘুরতে গিয়ে সেখানের একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে করে ইফাত। 

পরে নানা জায়গায় নিয়ে দফায় দফায় ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।  বিষয়টি কিশোরীরর পরিবারের লোকজন জানাজানি হয়।  তখন উভয় পক্ষের পরিবার বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি শেষ করা জন্য চেষ্টা করে।  এতে ইফাতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পেটের সন্তান নষ্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে কিশোরীর পরিবারের লোকজন রাজি হয়নি।  কিছু দিন এভাবে যাওয়ার পর এ ঘটনায় গত ২ জানুয়ারি কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে এ ঘটনায় জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত মামলাটি ২৯ মার্চের মধ্যে রেকর্ডভুক্ত করতে মোহনগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দেন।  

মোহনঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুজ্জামান বলেন, ২৯ মার্চের মধ্যে রেকর্ডভুক্ত করার নির্দেশনা আছে। যথা সময়েই মামলা রেকর্ডভুক্ত করা হবে। তবে এদিকে আমরা আসামিকে গ্রেপ্তারেরও চেষ্টা চালাচ্ছি।

এদিকে অভিযুক্ত ইফাত পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।