নারিদিবসে মহিলা সংস্থা চেয়ারম্যানকে সম্মাননা দিল হরিণাকুন্ডু উপজেলা পরিষদ

#
news image

আন্তর্জাতিক নারিদিবসে জাতীয় মহিলা সংস্থা ঝিনাইদহ জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান দীপ্তি রহমানকে সম্মাননা দিল হরিণাকুন্ডু উপজেলা পরিষদ। বুধবার দুপুুের উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে এক জনাকীর্ণ সমাবেশে দীপ্তি রহমানকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুস্মিতা সাহা। 

ইউএনও সুস্মিতা সাহার পৌরহিত্যে সম্মননাপ্রপ্ত দীপ্তি রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেশমা খাতুন, হরিণাকুন্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার উজ্জ্বল কুমার কুন্ডু, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শিউলি রাণি বিশ্বাস ও হরিণাকুন্ডু পুলিশ স্টেশনের সাব ইন্সপেক্টর মনিরা খাতুন বিশেষ অতিথি ছিলেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মুন্সি ফিরোজা সুলতানা সমামননা অনুষ্ঠানে প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয়

আলোচনা করেন হরিণাকুন্ডু সালেহা বেগম মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জামালউদ্দিন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। 

ইউএনও সুস্মিতা সাহা এবং আলোচকরা বলেন, আমাদের সমাজে কণ্যাশিশুরা জন্মের পর থেকেই তার পরিবার, বিশেষ করে মায়ের হাতে প্রথম বঞ্চনার শিকার হয়। বালক শিশুর মত পরিবারের যত্ন, খাবার, পোষাক এমনকি মানসিক মর্যাদাটুকু থেকেও তারা বঞ্চিত হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষেষ করে তার মা মনে করেন, বড় হলেই মেয়েটি তা পথের কাঁটা হবে । তাই যত দ্রুত সম্ভব অল্প বয়সেই বসিয়ে দেয় বিয়ের পিঁড়িতে। আর এতেই তার যত সর্বনাশ যা রোধ করার মত অবস্থা আর থাকে না। অথচ, শুধু দেশেই নয়, আমাদের নারিরা আজ বিদেশেও তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন, দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন। তাই নারি শিশুদের বোঝা না ভেবে তাদের উপযুক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে একদিন নারি-পুরুষের সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে। এজন্য নারি-পুরুষ সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা। 

জেলা সংবাদদাতা

০৮ মার্চ, ২০২৩,  7:38 PM

news image
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুস্মিতা সাহা আন্তর্জাতিক নারিদিবসে জাতীয় মহিলা সংস্থা ঝিনাইদহ জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান দীীপ্ত রহমানের হাতে সম্মননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক নারিদিবসে জাতীয় মহিলা সংস্থা ঝিনাইদহ জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান দীপ্তি রহমানকে সম্মাননা দিল হরিণাকুন্ডু উপজেলা পরিষদ। বুধবার দুপুুের উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে এক জনাকীর্ণ সমাবেশে দীপ্তি রহমানকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুস্মিতা সাহা। 

ইউএনও সুস্মিতা সাহার পৌরহিত্যে সম্মননাপ্রপ্ত দীপ্তি রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেশমা খাতুন, হরিণাকুন্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার উজ্জ্বল কুমার কুন্ডু, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শিউলি রাণি বিশ্বাস ও হরিণাকুন্ডু পুলিশ স্টেশনের সাব ইন্সপেক্টর মনিরা খাতুন বিশেষ অতিথি ছিলেন। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মুন্সি ফিরোজা সুলতানা সমামননা অনুষ্ঠানে প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয়

আলোচনা করেন হরিণাকুন্ডু সালেহা বেগম মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জামালউদ্দিন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। 

ইউএনও সুস্মিতা সাহা এবং আলোচকরা বলেন, আমাদের সমাজে কণ্যাশিশুরা জন্মের পর থেকেই তার পরিবার, বিশেষ করে মায়ের হাতে প্রথম বঞ্চনার শিকার হয়। বালক শিশুর মত পরিবারের যত্ন, খাবার, পোষাক এমনকি মানসিক মর্যাদাটুকু থেকেও তারা বঞ্চিত হয়। পরিবারের সদস্যরা বিষেষ করে তার মা মনে করেন, বড় হলেই মেয়েটি তা পথের কাঁটা হবে । তাই যত দ্রুত সম্ভব অল্প বয়সেই বসিয়ে দেয় বিয়ের পিঁড়িতে। আর এতেই তার যত সর্বনাশ যা রোধ করার মত অবস্থা আর থাকে না। অথচ, শুধু দেশেই নয়, আমাদের নারিরা আজ বিদেশেও তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন, দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন। তাই নারি শিশুদের বোঝা না ভেবে তাদের উপযুক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে একদিন নারি-পুরুষের সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে। এজন্য নারি-পুরুষ সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তারা।