শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

এবার আলীকদম-থানচি উপজেলায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ

#
news image

বান্দরবানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানের কারণে রুমা ও রোয়াংছড়ির পর এবার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। ১৭ অক্টোবর রাতে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়। আর রোববার (২৩ অক্টোবর) রাতে প্রশাসন এক নিদের্শনায় থানচি ও আলীকদম উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. লৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, জেলার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় শসস্ত্র বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠনের উপস্থিতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিচালনা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। এ সময় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে আলীকদম ও থানচি উপজেলার ২৩ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

গত বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বান্দরবানের রোয়াংছড়ি ও রাঙামাটি বিলাইছড়ির সাইজামপাড়ার দূর্গম এলাকায় যৌথ বাহিনীর ১০ দিনের অভিযানে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ৭ জন ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কে এনএফ) ৩ জনসহ মোট ১০ সদস্য কে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়। আর এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যেও আতংক ছড়িয়ে পড়ে। 

উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা ও যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধারসহ শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের কারণে জেলা জুড়ে আতংক বিরাজ করছে। ফলে জেলায় পর্যটক আগমন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই শতাধিক হোটেল-মোটেল এখন পর্যটক শূন্য। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে। 

অনলাইন ডেস্ক

২৪ অক্টোবর, ২০২২,  12:20 AM

news image

বান্দরবানের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানের কারণে রুমা ও রোয়াংছড়ির পর এবার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। ১৭ অক্টোবর রাতে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়। আর রোববার (২৩ অক্টোবর) রাতে প্রশাসন এক নিদের্শনায় থানচি ও আলীকদম উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. লৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, জেলার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় শসস্ত্র বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠনের উপস্থিতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিচালনা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। এ সময় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে আলীকদম ও থানচি উপজেলার ২৩ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

গত বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বান্দরবানের রোয়াংছড়ি ও রাঙামাটি বিলাইছড়ির সাইজামপাড়ার দূর্গম এলাকায় যৌথ বাহিনীর ১০ দিনের অভিযানে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ৭ জন ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কে এনএফ) ৩ জনসহ মোট ১০ সদস্য কে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়। আর এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যেও আতংক ছড়িয়ে পড়ে। 

উপজেলায় পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা ও যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধারসহ শসস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের কারণে জেলা জুড়ে আতংক বিরাজ করছে। ফলে জেলায় পর্যটক আগমন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই শতাধিক হোটেল-মোটেল এখন পর্যটক শূন্য। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে।