চীনা মুদ্রায় বাণিজ্যিক লেনদেনের নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

#
news image

অব্যাহত ডলার সংকটের মুখে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে চীনের মুদ্রা ইউয়ান বা রেনমিনবিতে লেনদেন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, সরকার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৪ সালের মার্চ মাসে চীনা ইউয়ান বা রেনমিনবিকে পরিবর্তনযোগ্য মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা করে।

তবে অনেক ব্যাংক এখনও চীনা মুদ্রার মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেন নিষ্পত্তি করতে দ্বিধায় রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ওই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। 

ডলার সংকটের মুখে স্থানীয় ব্যবসায়রী সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোকে বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার অস্থিরতার সম্মুখীন হয়।

বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক ব্যাংক এখন ডলারের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত সপ্তাহে ৩৮বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে যেখানে এক বছর আগে একই সময়ে এটি ছিল ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আটটি বিদেশি মুদ্রায় বৈদেশিক বাণিজ্যিক লেনদন করার অনুমতি রয়েছে। এগুলো হলো- মার্কিন ডলার, কানাডিয়ান ডলার, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড, সুইস ফ্রাঙ্ক এবং চীনা ইউয়ান বা রেনমিনবি।

অনলাইন ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  11:29 PM

news image

অব্যাহত ডলার সংকটের মুখে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে চীনের মুদ্রা ইউয়ান বা রেনমিনবিতে লেনদেন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, সরকার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৪ সালের মার্চ মাসে চীনা ইউয়ান বা রেনমিনবিকে পরিবর্তনযোগ্য মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা করে।

তবে অনেক ব্যাংক এখনও চীনা মুদ্রার মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেন নিষ্পত্তি করতে দ্বিধায় রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ওই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। 

ডলার সংকটের মুখে স্থানীয় ব্যবসায়রী সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোকে বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার অস্থিরতার সম্মুখীন হয়।

বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক ব্যাংক এখন ডলারের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত সপ্তাহে ৩৮বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে যেখানে এক বছর আগে একই সময়ে এটি ছিল ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আটটি বিদেশি মুদ্রায় বৈদেশিক বাণিজ্যিক লেনদন করার অনুমতি রয়েছে। এগুলো হলো- মার্কিন ডলার, কানাডিয়ান ডলার, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, সিঙ্গাপুর ডলার, ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড, সুইস ফ্রাঙ্ক এবং চীনা ইউয়ান বা রেনমিনবি।