শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন প্রয়োজন

#
news image

সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরিতে যোগদানের আগে ও অবসরের পর সম্পদ বিবরণীতে ১০ শতাংশের বেশি পার্থক্য হলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ভারতের মতো বাংলাদেশেও ‘অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেনের দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল এ আহ্বান জানান।

আদালত বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন’ আছে। সে আইন অনুযায়ী তাদের চাকরিতে প্রবেশের আগে ও অবসর গ্রহণের পর সম্পদের পার্থক্য ১০ শতাংশ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে এ রকম আইন করতে হবে। এ বিষয়ে আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘‌ভারতে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের নিয়ে অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন রয়েছে। এ আইনের অধীনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময়ে একটি প্রতিবেদন দেন। আবার যখন তিনি অবসরে যান তখন তার সম্পদ বিবরণী নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন দেন। এ দুই প্রতিবেদনে যদি দেখা যায় সম্পদ ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়।

ভারতের মতো এ ধরনের একটি আইন আমাদের দেশে হওয়া উচিত। আমরা যারা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আছি এবং সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এবং সংসদ সদস্য রয়েছেন তাদের আদালত এ ধরনের আইন তৈরির অনুরোধ জানিয়েছেন।’

নাগরিক প্রতিবেদন

২৪ এপ্রিল, ২০২৪,  5:01 PM

news image

সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরিতে যোগদানের আগে ও অবসরের পর সম্পদ বিবরণীতে ১০ শতাংশের বেশি পার্থক্য হলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ভারতের মতো বাংলাদেশেও ‘অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেনের দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল এ আহ্বান জানান।

আদালত বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন’ আছে। সে আইন অনুযায়ী তাদের চাকরিতে প্রবেশের আগে ও অবসর গ্রহণের পর সম্পদের পার্থক্য ১০ শতাংশ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে এ রকম আইন করতে হবে। এ বিষয়ে আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘‌ভারতে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের নিয়ে অ্যাসেট ডিক্লারেশন আইন রয়েছে। এ আইনের অধীনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময়ে একটি প্রতিবেদন দেন। আবার যখন তিনি অবসরে যান তখন তার সম্পদ বিবরণী নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন দেন। এ দুই প্রতিবেদনে যদি দেখা যায় সম্পদ ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়।

ভারতের মতো এ ধরনের একটি আইন আমাদের দেশে হওয়া উচিত। আমরা যারা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আছি এবং সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এবং সংসদ সদস্য রয়েছেন তাদের আদালত এ ধরনের আইন তৈরির অনুরোধ জানিয়েছেন।’